আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সেপ্টেম্বরে ৭১ লাখ ৫০ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করেছে চীন। গত বছরের একই মাসের তুলনায় আমদানি কমেছে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। বিশ্ববাজারে তেলবীজটির দাম বাড়ায় সেপ্টেম্বরে ক্রয় সীমিত করেছে দেশটি। চলতি সপ্তাহে চীনের শুল্ক বিভাগের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

যদিও সয়াবিনের শীর্ষ উৎপাদক ও রফতানিকারক ব্রাজিল থেকে চলতি বছর মোট আমদানির পরিমাণে উল্লম্ফন ঘটেছে। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে সয়াবিনের ব্যাপক ফলন হওয়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে দেশটি থেকে তেলবীজ কিনেছে চীন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সয়াবিনের উচ্চমূল্যসহ চীনের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ব্যবহার সীমিত হয়েছে।

ফলে সেপ্টেম্বরে বছরওয়ারি হিসাবে আমদানির পরিমাণ কমেছে। এ বিষয়ে সাংহাইভিত্তিক কৃষি পরামর্শদাতা জেসিআইয়ের বিশ্লেষক রোজা ওয়াং বলেন, ‘‌চীনে সয়াবিন মাড়াইয়ের পরিমাণ কমে গেছে। শূকর পালনে আগের মতো লাভ থাকছে না এবং সয়াবিনের আমদানি মূল্য বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা কমে গেছে।’

চীন ভোজ্যতেল ও পশুখাদ্য তৈরিতে সয়াবিন  ব্যবহার করে। চীনা ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা ছিল সেপ্টেম্বরে ৮০ লাখ টন সয়াবিন আমদানি হবে। কিন্তু এসব কারণে প্রত্যাশার চেয়ে ৮ লাখ ৫০ হাজার টন কম আমদানি হয়েছে। আগের মাসে ২০২২ সালের একই সময়ের চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি সয়াবিন কিনেছিল চীন।

চীনা চাহিদা কমায় ও মজুদ বাড়ায় ডালিয়ান এক্সচেঞ্জে সয়াবিনের দাম কমেছে। আগস্টে এক্সচেঞ্জটিতে তেলবীজটির দাম রেকর্ড উচ্চতায় ওঠে। দ্বিতীয় শীর্ষ রফতানিকারক যুক্তরাষ্ট্রে বৈরী আবহাওয়ায় বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়ায় দাম বেড়েছিল।