আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে রেকর্ড সর্বোচ্চে কোকোর মূল্য। চকোলেট উৎপাদনের প্রধান উপকরণ হিসেবে এর চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। তার ওপর এটির উৎপাদন ব্যয়ও বর্তমানে অনেক বেশি। এ কারণেই মূলত দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। খবর রয়টার্স।
এদিকে মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগকারীরাও দাম বাড়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। লন্ডনের ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে গতকাল কোকোর মার্চে সরবরাহ চুক্তির দাম টনপ্রতি ৩ হাজার ১৫৫ পাউন্ডে পৌঁছেছে। ১৯২০ সালে এক্সচেঞ্জটি চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিই কোকোর সর্বোচ্চ দাম। অন্যদিকে, নিউইয়র্কে ডিসেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে কোকোর দাম ৪৪ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। টনপ্রতি মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৬৩৫ ডলারে।
ট্রপিক্যাল রিসার্চ সার্ভিসেসের গবেষণা বিভাগের বৈশ্বিক প্রধান স্টিভ ওয়াটারিজ বলেন, ‘বর্তমানে প্রক্রিয়াজাত কোকোর চাহিদার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। দাম বাড়ার পরও চাহিদায় নেতিবাচক কোনো প্রভাব পড়ছে না।’
এদিকে পশ্চিম আফ্রিকাসহ শীর্ষ উৎপাদক দেশগুলোয় কোকোর সরবরাহ লক্ষণীয় মাত্রায় কমেছে। টানা তৃতীয় বছরের মতো পণ্যটির বৈশ্বিক সরবরাহ ঘাটতির মুখে থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ফলে বছরের বাকি সময়েও এটির দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকবে।










