অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ওএক্সসিসিইউ ২ কোটি ২৭ লাখ ডলার বিনিয়োগ পেতে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সৌদি অ্যারাবিয়ান অয়েল কোম্পানি, ইতালির এনি ও ইউনাইটেড এয়ারলাইনস। কার্বন নিঃসরণ কমাতে ও উড়োজাহাজ খাতে সাশ্রয়ী মূল্যের জ্বালানি নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যমাত্রায় নেয়া হচ্ছে এ উদ্যোগ। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ক্লিন এনার্জি ভেনচার্সের বিশেষ বিবৃতিতে বলা হয়, উড়োজাহাজ পরিষেবায় যেসব জ্বালানি ব্যবহারে কার্বন নিঃসরণ অপেক্ষাকৃত কম হয়, সেসব জ্বালানির দাম অনেক বেশি। ফলে বর্তমান বিনিয়োগ প্রচেষ্টা মূলত পরিবেশবান্ধব জ্বালানিকে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার জন্য। কার্বন ডাই-অক্সাইড ও হাইড্রোজেন মিশ্রিত করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি তৈরির জন্য পরিচিত ওএক্সসিসিইউ। জ্বালানি তৈরির প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে লৌহনির্ভর প্রভাবক ব্যবহার করা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়ানির্ভর পরবর্তী ধাপ অনেকটা ব্যয়বহুল।
বিবৃতি অনুসারে, ওএক্সসিসিইউর উদ্ভাবিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে মূলধনি খরচ ৫০ শতাংশের বেশি কমে যায়। উপজাতও তৈরি হয় তুলনামূলকভাবে কম। ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের প্রেসিডেন্ট মাইকেল লেসকিনেন দাবি করেছেন, উড়োজাহাজ পরিষেবার জন্য টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা আকাশপথে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কিন্তু বর্তমানে আমরা উল্লেখযোগ্য হারে সরবরাহ সংকটের মধ্যে রয়েছি। ওএক্সসিসিইউ যে নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে, তার মাধ্যমে কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে সরবরাহ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। সমাধানটি একদিকে ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের জন্য খরচ কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণের কমিয়ে আনার অভিযাত্রাকে আরো দ্রুত করবে। প্রথাগত কার্বন নিঃসরণ কমানোর উপায় অনুসরণ ছাড়াই ২০৫০ সালের মধ্যে শূন্য কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে সাহায্য করবে। ডজন খানেক প্রযুক্তি গবেষণা পর্যবেক্ষণ করার পর ক্লিন এনার্জি ভেনচার্স ওএক্সসিসিইউর ব্যাখ্যা করা পদ্ধতিকে অনন্য হিসেবে দাবি করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা অংশীদার ড্যানিয়েল গোল্ডম্যান বলেন, ‘অদূরভবিষ্যতে আমরা উড়োজাহাজের জ্বালানি উৎপাদনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে যাচ্ছি। সেক্ষেত্রে এ প্রযুক্তির অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে। কোম্পানিটিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও স্থাপনায় সহায়তা করার জন্য বিনিয়োগকারীদের অসাধারণ সম্মেলনে নেতৃত্ব দিতে পেরে আনন্দিত।’










