মালয়েশিয়ার শিল্পোৎপাদন সূচক (আইপিআই) এপ্রিলে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে, যা মার্চে রেকর্ড ৩ দশমকি ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে ছিল। সম্প্রতি দেশটির পরিসংখ্যান বিভাগ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।
আগের মাসের তুলনায় শিল্পোৎপাদন সূচক মার্চে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ার পর এপ্রিলে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। এপ্রিলে উৎপাদন খাতের ৩ শতাংশ অবনতি ছিল জুলাই ২০২১-এর পর প্রথম সংকোচন। প্রধানত রফতানিমুখী শিল্পের ৩ দশমিক ৫ শতাংশ অবনমন এ সংকোচনে প্রভাব ফেলেছে।
উপরন্তু এপ্রিলে রফতানিমুখী শিল্পের এ সংকোচন ৩৪ মাসের মধ্যে প্রথম, যা রাবার পণ্য তৈরিতে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং কম্পিউটার, ইলেকট্রনিকস ও অপটিক্যাল পণ্য তৈরিতে ১ দশমিক ৮ শতাংশ কম। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ শিল্পগুলো ২ দশমিক ১ শতাংশ অবনমন দেখেছে। এজন্য মোটরগাড়ি, ট্রেইলার ও আধা ট্রেইলার ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ, পানীয় উৎপাদন ৫ দশমিক ৫ ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য উৎপাদন ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। মাসভিত্তিক তুলনায় উৎপাদন খাত মার্চে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় এপ্রিলে ১১ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে।
এপ্রিলে খনন খাতে উৎপাদন ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে, প্রাকৃতিক গ্যাস সূচকে ক্রমাগত মন্দার কারণে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সূচকে দশমিক ৯ শতাংশ পতন হয়েছে।
মার্চে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ সামান্য বৃদ্ধি রেকর্ড করার পর এপ্রিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২ শতাংশ কমেছে। মাসভিত্তিক তুলনায় আগের মাসে রেকর্ড করা ১৫ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বিদ্যুতের সূচক ৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে।
২০২৩ সালের প্রথম চার মাসে ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় শিল্পোৎপাদন সূচক ১ দশমিক ৩ শতাংশে সীমিত রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে উৎপাদন এবং খনির সূচকগুলো যথাক্রমে ১ দশমিক ৮ ও শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে বিদ্যুৎ সূচক কমেছে ১ দশমিক ২ শতাংশ।










