বিশ্ববাজারে চিনির ঘাটতি বৃদ্ধির পূর্বাভাস মিলেছে। ২০২১-২২ মৌসুমে ভোগ্যপণ্যটির ঘাটতি ৩৮ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। ইন্টারন্যাশনাল সুগার অর্গানাইজেশন (আইএসও) সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দিয়েছে।
চলতি বছরের মে মাসে চিনির বৈশ্বিক ঘাটতি নিয়ে পূর্বাভাস দেয় আইএসও। এতে বলা হয়, ২০২১-২২ মৌসুমে বিশ্বব্যাপী ২৮ লাখ টন চিনির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তবে নতুন পূর্বাভাসে ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে ৩৮ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক চিনি উৎপাদনে শীর্ষ দেশ ব্রাজিল। কিন্তু এ বছর খরা ও তুষারপাতের কারণে দেশটিতে চিনি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি বিশ্ববাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
আইএসও জানায়, চিনির আগামী বিপণন মৌসুম অক্টোবরে শুরু হবে। এ মৌসুমে চিনির বৈশ্বিক উৎপাদন মাত্র দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১৭ কোটি ৬ লাখ টনে উন্নীত হবে। এক্ষেত্রে পণ্যটির ব্যবহার ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে।










