মিয়ানমারের স্থানীয় বাজারে ভুট্টার দাম ঊর্ধ্বমুখী।
কৃষিপণ্যটির রফতানি মূল্যও চড়া।
বাজার চাঙ্গা থাকায় দেশটির কৃষকদের মাঝে ভুট্টা উৎপাদনে আগ্রহ বেড়েছে।
সম্ভাবনা বাড়ছে রফতানিরও।
২০২১-২২ বিপণন বছরে মিয়ানমারের ভুট্টা উৎপাদন ও রফতানিতে ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। সংস্থাটির ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের প্রকাশিত গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ বিপণন বছরে মিয়ানমারে ২৫ লাখ ৭০ হাজার টন ভুট্টা উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইউএসডিএ জানায়, স্থানীয় বাজারে উচ্চ মূল্য এবং রফতানি চাহিদা বৃদ্ধিজনিত কারণে ভুট্টা উৎপাদনের পরিমাণ ক্রমে বাড়ছে।
তবে উৎপাদন উপকরণ ব্যয় বাড়ায় ভুট্টার আবাদ নিয়ে দ্বিধা কাটছে না কৃষকদের একাংশের।
বিশেষ করে দেশটিতে সারের মূল্যবৃদ্ধি ভুট্টা আবাদে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে ভুট্টার বাজার চাঙ্গা থাকায় কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়ছে।
এদিকে রফতানি চাহিদা বাড়লেও ভুট্টার দেশীয় ব্যবহার হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছে ইউএসডিএ।
মহামারীকালীন সংকটের কারণে মিয়ানমারে গবাদি পশু পালনের প্রবণতা কমেছে।
এছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থান দেশটির অর্থনীতিকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
বিশেষ করে ব্যাংকিং ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড নানামুখী সংকটে রয়েছে।
এসব কারণে ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে ভুট্টার দেশীয় ব্যবহার কমতে পারে বলে জানায় মার্কিন সংস্থাটি।
ইউএসডিএ জানায়, ২০১৬ সালের পর থেকেই বাড়ছে মিয়ানমারের ভুট্টা রফতানি।
২০২০-২১ বিপণন বছরের প্রথম নয় মাসে দেশটির ভুট্টা ২২ লাখ ৬০ হাজার টনকে ছাড়িয়ে গেছে, যা ২০১৯-২০ বিপণন বছরের মোট রফতানি চেয়েও বেশি।










