তবে এরই মধ্যে ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো সমর্থকদের পকেট কাটছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেয়া দলগুলোর জার্সির দাম অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এর মধ্যে সমর্থকদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে মার্কিন ব্র্যান্ড নাইকি। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

বাজার গবেষক ড. পিটার রোলম্যানের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার অনেকটা বেড়েছে জার্সির গড় দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে নাইকির তৈরি ইংল্যান্ড, ফ্রান্স বা ব্রাজিলের একটি জার্সির (রেপ্লিকা) দাম পড়বে ১১০ ইউরো। অন্যদিকে জার্মানি ও স্পেনের জার্সি প্রস্তুতকারক অ্যাডিডাস এবং পর্তুগালের স্পন্সর পুমা প্রতিটি রেপ্লিকা জার্সির দাম নির্ধারণ করেছে ১০০ ইউরো।

শিশুদের জার্সির ক্ষেত্রেও নাইকি সবচেয়ে এগিয়ে। শিশুদের জন্য তৈরি একটি জার্সির দাম ৮৫ ইউরো রাখছে ব্র্যান্ডটি। একই ক্যাটাগরিতে পুমা ৮০ ও অ্যাডিডাস ৭৫ ইউরো দাম রাখছে। ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ও ব্র্যান্ডগুলোর নিজস্ব ইউরোপীয় ওয়েবসাইটের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ গড় দামের হিসাব পাওয়া গেছে।

যুক্তরাজ্যের বাজারে দামের পার্থক্য আরো স্পষ্ট। ইংল্যান্ড দলের একটি রেপ্লিকা জার্সির দাম ৯০ পাউন্ড। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের অ্যাডিডাস জার্সির দাম ৭৫ পাউন্ড। অর্থাৎ ইংল্যান্ডের সমর্থকরা স্কটল্যান্ডের তুলনায় ১৫ পাউন্ড বেশি খরচ করছেন। খেলোয়াড়রা মাঠে যে ‘ম্যাচ জার্সি’ পরে খেলবেন, সেটির দাম আকাশছোঁয়া। ইংল্যান্ডের একটি ম্যাচ জার্সির দাম রাখা হচ্ছে ১৩৫ পাউন্ড। জার্সিতে নিজের নাম বা নম্বর যুক্ত করতে গেলে খরচ বাড়বে আরো।

নাইকি জানায়, উৎপাদন, কাঁচামাল ও পরিবহন খরচ বাড়ার কারণে দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে কোম্পানিটি। অন্যদিকে অ্যাডিডাসের দাবি, কাপড়ের উন্নত প্রযুক্তি, মান ও ফুটবল ফেডারেশনগুলোকে দেয়া ফির পরিমাণ বাড়ায় জার্সির দাম এমন রাখা হচ্ছে।