দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বেসরকারি পর্যায়ে নন-বাসমতি ও আতপ চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দপ্রাপ্ত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের তালিকায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের তিন আমদানিকারক ১৪ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ও এক হাজার টন আতপ চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছেন।

আমদানিকারকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জুন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন স্থানের ৯৫ জন আমদানিকারককে মোট ৩ লাখ ৭৯ হাজার টন সিদ্ধ চাল ও ৩০ হাজার টন আতপ চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। সে তালিকায় হিলি স্থলবন্দরের মেসার্স শরিফুল ট্রেডার্স পাঁচ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে। এছাড়া সততা বাণিজ্যালয় চার হাজার টন, মেসার্স রেনু কনস্ট্রাকশন পাঁচ হাজার টন সিদ্ধ ও এক হাজার টন আতপ চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে। অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এলসি খুলে সেই তথ্য খাদ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ১১ আগস্টের মধ্যে চাল আমদানি করে দেশে বাজারজাত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলসি খুলতে ব্যর্থ হলে বরাদ্দ বাতিল হবে বলেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।