বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে সচল রাখতে রফতানি ও শিল্প উৎপাদন প্রধান ভূমিকা পালন করছে। তবে আবাসন খাতের দীর্ঘমেয়াদি মন্দা ও স্থানীয় বাজারে টানা ভোক্তা চাহিদার ঘাটতি প্রবৃদ্ধিকে টেনে নিচে নামিয়েছে। গত এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
চিনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর (এনবিএস) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মুনাফা বেড়েছে ১৫ দশমিক ১ শতাংশ, মে মাসে যা ছিল ২১ দশমিক ১ শতাংশ। তবে মে মাসের তুলনায় প্রবৃদ্ধির গতি কমলেও বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) সামগ্রিক মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।
আইএনজির গ্রেটার চায়না অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিবিদ লিন সং বলেন, ‘শিল্প খাতের পুনরুদ্ধার যদি বজায় রাখা যায়, তবে তা পুরো অর্থনীতির জন্যই ইতিবাচক হবে। মুনাফা ফেরত এলে প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সুযোগ পাবে।’
তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণে চীনের অর্থনীতিতে দুই ধরনের গতি দেখা যাচ্ছে। একদিকে তৈরি পোশাক ও শিল্পপণ্য বিদেশে রফতানি করে কারখানাগুলো ভালো মুনাফা করছে। অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে যেসব খাত নির্ভরশীল, তারা মন্দার মুখে পড়ছে।
এনবিএসের পরিসংখ্যানবিদ ইউ উইনিং বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বেশ জটিল ও কাঁচামালের দামও অনিশ্চিত। অন্যদিকে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল চাহিদা ও নগদ অর্থ সংকটে ভুগছে।’
অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমার বড় প্রভাব পড়েছে গাড়ি নির্মাণ খাতে। বছরের প্রথম ছয় মাসে অটোমোবাইল খাতের মুনাফা ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। এর মূল কারণ জুনে টানা নবম মাসের মতো দেশটিতে কমেছে গাড়ি বিক্রি।










