তিনি বলেন, ‘সংকটের সময় বাংলাদেশের মানুষ বারবার উদ্যোগ, উদ্ভাবন ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছে।’
গতকাল ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ‘পরিবর্তনের চাবিকাঠি: আজকের জিজ্ঞাসা’ শীর্ষক এক পাবলিক লেকচার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘পরিবর্তনের ছয়টি চালিকাশক্তি হলো ন্যারেটিভ, প্রতিষ্ঠান, সামাজিক রীতিনীতি (নর্মস), উদ্যোগ, ক্ষমতা এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী। এসব উপাদানের ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব দেশের অর্থনীতি ও সমাজে প্রতিফলিত হয়।’
তিনি জানান, স্বল্পমূল্যের শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার, পেশাদারত্ব বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সামাজিক আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে ১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের নাগরিকদের উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই পরিবর্তনের চাবিকাঠি নাগরিকদের হাতেই।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক ন্যায্যতার বিষয়ে আরো গুরুত্ব দিতে হবে।’ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান। এতে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।










