মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ।
চলতি মাসে দেশটির পাম অয়েল রফতানি জুলাইয়ের তুলনায় ১০ শতাংশেরও বেশি কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মূলত দেশটির পাম অয়েলের দাম লাগাম ছাড়া হয়ে পড়ায় ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।
খবর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্ল্যাটস।
কুয়ালালামপুরভিত্তিক ভোজ্যতেল বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান দ্য ফার্ম ট্রেডের প্রধান সন্দীপ সিং বলেন, মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম সর্বকালের শীর্ষে উঠে এসেছে।
ফলে পাম অয়েল ক্রয়ের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করছেন ক্রেতারা।
এ কারণে চলতি মাসে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানিতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
সন্দীপ সিং মনে করছেন, আগস্টে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানি ৮-১০ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে।
১১ আগস্ট মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের (এমপিওবি) দেয়া তথ্য বলছে, জুলাইয়ে ১৪ লাখ ১০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি করা হয়েছিল।
জুনে রফতানির পরিমাণ ছিল ১৪ লাখ ২০ হাজার টন।
অর্থাৎ জুলাই থেকেই পণ্যটির রফতানি কমছে।
মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ৮৫ শতাংশ পাম অয়েল উৎপাদন করে।
১-২৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশটির পাম অয়েল রফতানি ১২ দশমিক ১ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পায়।
১৯ মে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম বেড়ে টনপ্রতি ১ হাজার ১৩১ ডলার ৫৬ সেন্টে উন্নীত হয়, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ।
দেশটির পাম অয়েলের দামে উল্লম্ফন ইন্দোনেশিয়াকে বড় ধরনের সুবিধা দিচ্ছে।
পাশাপাশি রফতানি শুল্ক কমিয়ে দেয়ায় দেশটির পাম অয়েলের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন আন্তর্জাতিক ক্রেতারা।










