সভায় কোম্পানিটির চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) পিপলস ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ২৪ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯৫ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৮১ পয়সায়।

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।

১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পিপলস ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৪৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৬২ লাখ। এর ৩৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।