তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি সক্ষমতা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে ভারত।
এ লক্ষ্যে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য গুজরাটে একটি ভাসমান আমদানি টার্মিনাল তৈরি করা হবে।
এর মাধ্যমে ভারতের এলএনজি আমদানি সক্ষমতা ১২ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
খবর অয়েলপ্রাইসডটকম।
রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, আগামী বছরের মধ্যেই ভাসমান আমদানি টার্মিনালটির কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।
এটি ভারতকে বছরে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টন এলএনজি আমদানির সক্ষমতা এনে দেবে।
জ্বালানি পণ্যবিষয়ক পরামর্শক ও তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জি জানায়, গত বছর ভারত সব মিলিয়ে ২ কোটি ৫৭ লাখ টন এলএনজি ব্যবহার করে।
২০১৯ সালের তুলনায় ব্যবহার ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
দেশটিতে এলএনজির চাহিদা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।
আগামী বছরগুলোতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় চাহিদা মেটাতে বাড়বে আমদানিও।
তবে এক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বাজারদর।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলএনজির দাম এমনিতেই বেশি।
আগামী দিনগুলোতে বাজারদরে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে ভারতের ক্রেতারা এ জ্বালানি পণ্য থেকে সাময়িকভাবে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।
এশিয়ার দেশগুলোতে মহামারীজনিত বিধিনিষেধ শিথিল হতে শুরু করায় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।
এতে করে এ অঞ্চলের দেশগুলোতে এলএনজির চাহিদায় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
চাহিদার উল্লম্ফনেই স্পট মার্কেটে পণ্যটির দাম হু হু করে বাড়ছে।










