এসএমই ফাউন্ডেশন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইন্স্যুরেন্স ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি। ব্র্যাক ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
জানা যায়, ‘প্রজেক্ট নিরাপদ’ শীর্ষক উদ্যোগটি ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ইনোভেশন ল্যাব ‘ফিনোভিশন’-এর জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। এটি সুবিধাবঞ্চিত উদ্যোক্তাদের জন্য বাস্তবসম্মত আর্থিক সমাধান তৈরিতে ব্যাংকটির প্রতিশ্রুতিকে আরো শক্তিশালী করেছে।
উদ্যোগটির আওতায় জামানতবিহীন ডিজিটাল ঋণ, জলবায়ু অনুকূল বীমা ও পরামর্শসেবা একসঙ্গে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে। এ সেবার মধ্যে রয়েছে আবহাওয়ার সূচকভিত্তিক ফসল ও মৎস্য বীমা, গবাদিপশু ও স্বাস্থ্য বীমা, নারীবান্ধব সুরক্ষা পণ্য, এআই-চালিত (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) গ্রাহক সহায়তা, আবহাওয়ার সতর্কতা এবং কৃষিবিষয়ক পরামর্শসেবা। এগুলো উদ্যোক্তাদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি থেকে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।
ঢাকায় সম্প্রতি ‘ইন্স্যুরেন্স ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এর উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি দেয়া হয়। প্রতিযোগিতাটি মূলত এমন প্রযুক্তিনির্ভর এবং লিঙ্গ সংবেদনশীল আর্থিক সমাধানকে উৎসাহিত করে, যা জলবায়ু ও অন্যান্য সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে দেশের সিএমএসএমই খাতের সুরক্ষা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
সম্মাননা অর্জন প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও এসএমই ব্যাংকিং প্রধান সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি আর্থিক সক্ষমতা থাকাও সমান জরুরি। ডিজিটাল ঋণের সঙ্গে বীমা সুবিধা যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা উদ্যোক্তাদের শুধু অর্থায়নের সুযোগই দিচ্ছি না; বরং তাদের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা, জীবিকা রক্ষা ও আরো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগাচ্ছি।’
এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. নাজিম হাসান সাত্তার বলেন, ‘জলবায়ু ধাক্কা যেন কোনো উদ্যোক্তার আর্থিক ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে না পারে। নতুন ধারার এ বীমা সমাধান মানুষের জীবিকা রক্ষা করবে, তাদের ঋণযোগ্যতা ধরে রাখবে এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরো শক্তিশালী করবে।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘প্রজেক্ট নিরাপদ’-এর পরীক্ষামূলক ধাপ সফলভাবে শেষ হওয়ার পর অংশীদাররা এ সেবাকে ব্র্যাক ব্যাংকের সিএমএসএমই ঋণ কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। এভাবে ব্যাংকটির ডিজিটাল প্লাটফর্ম, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের সাহায্যে এটিকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া হবে।










