তার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে (আইপিও) যাওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ায় এ মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন তিনি। গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই ফোর্বস সাময়িকী মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ৯৮ লাখ ২৬০ কোটি ডলার উল্লেখ করেছে। আইপিও সম্পন্ন হলে তার সম্পদ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে। খবর এপি।

এবারের স্পেসএক্সের আইপিও বিশ্ব অর্থনীতির ইতিহাসে সর্ববৃহৎ পাবলিক লিস্টিং বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাব হতে যাচ্ছে। কোম্পানিটি বাজারে ৫৫ কোটি ৫৬ লাখ শেয়ার ছেড়ে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার পুঁজি সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও মাস্কের ওপর ভরসা করে শেয়ার কিনতে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

মঙ্গল গ্রহে ১০ লাখ মানুষের বসতি স্থাপন এবং মহাকাশে ফুটবল মাঠের সমান বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরির মতো উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা রয়েছে স্পেসএক্সের। তবে এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটি প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার লোকসান গুনেছে।

এর আগে ইলোন মাস্কের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে আসার পর থেকে বিনিয়োগকারীদের ২০ হাজার শতাংশ পর্যন্ত রিটার্ন দিয়েছে। টেসলার এ অভাবনীয় সাফল্যই মূলত স্পেসএক্সের লোকসানকে আড়াল করে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করছে। তবে এর বিপরীতে কিছু বড় পেনশন ফান্ড ও সাধারণ বিনিয়োগকারী মাস্কের একক নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা এবং কোম্পানির নীতি নিয়ে আপত্তিও তুলেছেন। তা সত্ত্বেও নাসডাক কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ে স্পেসএক্সকে তাদের সূচকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নিয়ম পরিবর্তন করেছে।