মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-হামাস সংঘর্ষে সৃষ্ট ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় এশীয় স্পট মার্কেটে বেড়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দর। একই সময়ে এস্তোনিয়া ও ফিনল্যান্ডকে সংযোগকারী বাল্টিক গ্যাস পাইপলাইনে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এ কারণে ইউরোপেও গ্যাসের দাম বেড়ে যেতে পারে। এসব উদ্বেগে চলতি সপ্তাহে জ্বালানিটির দাম অন্তত ১ ডলার বেড়ে গেছে।

শিল্প সূত্রের প্রাক্কলন মতে, নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে নর্থ-ইস্ট এশীয় বাজার আদর্শে এলএনজি-এএসের গড় দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটের (এমএমবিটিইউ) মূল্য স্থির হয়েছে ১৪ ডলার ৫ সেন্টে। আর ডিসেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে মূল্য বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১৭ ডলার ৫ সেন্টে। এ সময় এশিয়ায় শীতের প্রকোপ বাড়লে গ্যাসের ব্যবহার বেড়ে যাবে। বাড়তি চাহিদার কারণে দাম বাড়বে জ্বালানিটির।

এসএন্ডপি গ্লোবাল কমোডিটি ইনসাইটস নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে নর্থওয়েস্ট ইউরোপ এলএনজি মার্কার বাজার আদর্শের দাম স্থির হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউতে ১৫ ডলার ৭১ সেন্টে।

কমোডিটি ব্রোকার ম্যারেক্সে এপিএসির জ্বালানিবিষয়ক প্রধান টবি কপসন বলেছেন, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এমন আশঙ্কার কারণে বাজারে বিক্রি বেড়েছে।

 একই সময়ে এশীয়া ও ইউরোপ উভয় স্থানেই হালকা শীত মৌসুম এগিয়ে আসছে। এ অবস্থায় মধ্যপ্রচ্যের সংঘাত ও ইউরোপে পাইপলাইনে সরবরাহ সমস্যা দেখা দেয়ায় বাজারে দামের ওপর প্রভাব পড়েছে।

পণ্য মূল্যনির্ধারণ সংস্থা আরগাসের এলএনজি মূল্যনির্ধারণ বিষয়ক উপপ্রধান অগাস্ট ব্রেটু বলেছেন, ‘‌উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় এলএনজির যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। এ কারণে অঞ্চলটি থেকে এখনো আমদানি চাহিদা সীমিত।’