[গতকালের
পর]
‘এখানেই
ডটকম’
বন্ধ
করার
ঘোষণাপত্রে
টেলিনর
বলেছিল,
‘বাংলাদেশের বাজার
এখনো
ক্লাসিফায়েড
মার্কেট
প্লেসের
জন্য
তৈরি
নয়।’
অন্যদিকে
দ্য
ডেইলি
স্টারকে
বলা
হয়,
‘আমরা এখানেই
ডটকমকে
যথেষ্ট
লাভজনক
ব্যবসায়
রূপান্তর
করতে
ব্যর্থ
হয়েছি!’
তার মানে
কি
টেলিনরের
মতো
দুনিয়ার
ওয়ান
অব
দ্য
বিগেস্ট
টেলিকম
জায়ান্ট
কোনো
রকম
বাজার
যাচাই
করা
ছাড়াই
একুইজেশন
করেছিল
এখানেই
ডটকমকে?
সেটা
হওয়ার
কথা
নয়।
আর
যদি
বাংলাদেশের
মার্কেট
প্লেস
তৈরি
না-ই
থাকত,
তাহলে
তো
কামাল
কাদির
সফলতার
সঙ্গে
প্রথম
কয়েক
বছর
সেবাটাকে
চালু
রাখতে
পারতেন
না।
তাছাড়া
লাভের
কোনো
পরিকল্পনা
তাদের
কোনো
পার্টনারের
ছিল
না,
কারণ
প্রথম
কয়েক
বছর
ছিল
তাদের
জন্য
ইনভেস্টমেন্ট
ফেইজ।
তাহলে
লাভের
কথা
বলে
বন্ধ
করে
দেয়ার
মানে
কী?
তার মানে
হলো,
টেলিনরের
এ
বক্তব্য
ছিল
অনেকটা
গোঁজামিল
দেয়া
বক্তব্য।
চলুন দেখে
নেয়া যাক,
কী কী
হতে পারে
এর কারণগুলো?
১. ভুল
জায়গায় বিজ্ঞাপন: প্রথমত
বলা
যায়,
এখানেই
ডটকম
তাদের
টিজি
টার্গেটিংয়ে
ভুল
করে।
যেকোনো
ই-কমার্স
বা
অনলাইন
ক্লাসিফায়েডের
টার্গেট
অডিয়েন্স
থাকে
অনলাইনেই,
টিভির
দর্শকরা
তাদের
টার্গেট
অডিয়েন্স
হওয়ার
কথা
না।
কিন্তু
এখানেই
ডটকম-এর
ক্যাম্পেইন
বাজেটি
অনলাইনের
চেয়ে
টিভিতে
ছিল
অনেক
বেশি।
ব্র্যান্ড
সচেতনতার
জন্য
টিভিসিতে
অল্প
বাজেট
রেখে
সবচেয়ে
বড়
বাজেটটি
ডিজিটাল
মার্কেটিংয়ে
ব্যয়
করাটাই
তাদের
জন্য
সঙ্গত
ছিল।
কিন্তু
তা
না
করে
তারা
বিপুল
পরিমাণ
অর্থ
বিনিয়োগ
করে
টিভিসি
বানিয়েছে,
যেটি
থেকে
দারুন
ব্র্যান্ড
সচেতনতা
এসেছে
বটে।
কিন্তু
সে
তুলনায়
আয়
বাড়েনি।
২. রিব্র্যান্ডিংয়ের পরিণতি: সেলবাজারের একটা
আলাদা
ব্র্যান্ড
ভ্যালু
ছিল,
কাস্টমার
বেইজ
ছিল।
কিন্তু
নতুন
নাম
আর
নতুন
থিমের
কারণে
অধিকাংশ
ইউজার
ভেবেছে
এটা
বুঝি
বাজারে
‘সেলবাজার’-এর
নতুন
কোনো
প্রতিদ্বন্দ্বী।
এমনকি
আগের
সেলবাজারই
যে
রূপান্তরিত
এখনকার
‘এখানেই ডটকম’-এ
রূপ
নিয়েছে,
সেটাও
তাদের
ক্যাম্পেইনে
তেমন
করে
বোঝা
যায়নি।
ফলে
একদিকে
যেমন
পুরনো
ব্র্যান্ড
ভ্যালু
আর
কাস্টমার
বেজ
উভয়ই
হারাতে
হয়েছে,
তেমনি
অন্যদিকে
নতুন
ব্র্যান্ডেরও
ইমেজ
সেভাবে
গড়ে
উঠেনি।
তারা
কয়েক
কোটি
টাকা
ব্যয়
করে
রিব্র্যান্ডিং
করে।
মূলত:
এই
রিব্র্যান্ডিংয়ের
পর
থেকেই
শুরু
হয়
এর
অধঃপতন।
তবে রিব্র্যান্ডিংয়ের
পেছনে
দুটি
প্রধান
কারণ
ছিল:
প্রথমটি
হলো,
রিব্র্যান্ডিংয়ের
আগে
তারা
যে
ইন-হাউজ
মার্কেট
সার্ভে
করেছিল,
সেখানে
দেখা
গেছে
লোকে
বিদেশী
(সেলবাজার) নামের
চেয়ে
দেশী
নাম
(এখানেই) বেশি
পছন্দ
করে।
তাই
তারা
চেয়েছিল
সম্পূর্ণ
বাংলা
একটি
শব্দ
দিয়ে
নতুন
নামকরণ
করে
সেটাকে
ব্র্যান্ডিং
করতে,
যাতে
করে
দেশীয়
গ্রাহকরা
এই
নতুন
ব্র্যান্ডকে
স্ট্রংলি
রিলেট
করতে
পারে।
দ্বিতীয়টি
হলো,
শুরু
থেকেই
সেলবাজারের
টার্গেট
অডিয়েন্স
ছিল
সেল
বা
সেলফোন
ব্যবহার
করা
ইউজাররা।
এ
কারণেই
এর
নাম
ছিল
সেলবাজার।
কিন্তু
পরবর্তী
সময়ে
তারা
চেয়েছিল
এ
ধারণা
থেকে
বেরিয়ে
এসে
তাদের
টিজির
পরিসর
আরো
বড়
করতে,
যারা
শুধু
মোবাইলই
নয়,
বরং
কম্পিউটারও
ব্যবহার
করে।
তাই
নতুন
একটি
নামের
প্রয়োজন
হয়ে
পড়েছিল,
যেটা
কোনো
স্পেসিফিক
ডিভাইস
ব্যবহারকারীদের
অ্যাড্রেস
করবে
না।
মূলত
এ
দুটি
কারণেই
তারা
সেলবাজারকে
রিব্র্যান্ডিং
করে
‘এখানেই ডটকম’
নামে
বাজারে
আত্মপ্রকাশ
করে।
৩. প্রফিট রিস্ক: এরই মধ্যে
বিপুল
পরিমাণ
বিনিয়োগ
হয়ে
গিয়েছিল
এখানেই
ডটকম-এ,
যেগুলো
থেকে
রিটার্ন
অন
ইনভেস্টমেন্ট
কত
পাওয়া
যাবে
কিংবা
আদৌ
পাওয়া
যাবে
কিনা,
সেটা
নিয়েই
যেখানে
কোম্পানি
অনিশ্চয়তার
ভেতর
ছিল,
সেখানে
নতুন
করে
আর
একটা
পয়সাও
ইনভেস্ট
না
করার
সিদ্ধান্ত
নেয়াটা
যেকোনো
কোম্পানির
জন্যই
স্বাভাবিক।
যদিও
টেলিনর
ও
তাদের
সঙ্গে
থাকা
বাকি
দুই
পার্টনারের
তখন
পর্যন্ত
কোনো
প্রফিট
প্রফিট
প্লানিং
ছিল
না।
৪. ফেসবুকে সহজলভ্য বিকল্প: ২০১৫ সালে ফেসবুক
তাদের
গ্রুপগুলোয়
প্রডাক্ট
সেলিং
ফিচার
নিয়ে
আসে।
বাকিটা
আর
নিশ্চয়ই
বলে
দিতে
হবে
না?
তবে
সে
সময়ও
তারা
হাল
না
ছেড়ে
বিভিন্ন
ফেসবুক
গ্রুপে
তাদের
কনটেন্ট
প্রমোট
করা
শুরু
করে।
হয়তো
অনেকেরই
মনে
আছে,
সে
সময়
অনেক
বায়িং-সেলিং
গ্রুপে
ঢুকলেই
গ্রুপের
কভার
ফটোতে
এখানেই
ডটকম-এর
বিজ্ঞাপন
চোখে
পড়ত।
৫. নতুনত্বের অভাব: একুইজেশনের পাঁচ
বছর
পরেও
তেমন
কোনো
সার্ভিস
ইনোভেশন
আনতে
পারেনি
এখানেই
ডটকম।
এখানেই
ডটকমের
একজন
সাবেক
কর্মকর্তার
বরাতে
জানা
গেছে,
তারা
এক্ষেত্রে
বিক্রয়
ডটকমকে
নিয়মিত
নজরদারি
করত,
অর্থাৎ
বিক্রয়
ডটকম
কী
কী
নতুন
ফিচার
এনেছে,
এটা
তারা
নিয়মিতই
মনিটর
করত
এবং
সে
অনুযায়ী
সিদ্ধান্ত
নিত।
এতেই
প্রমাণ
হয়
তারা
আসলে
নিজেরাও
জানত
যে
তাদের
তুলনায়
বিক্রয়
ডটকম
এগিয়ে
আছে।
৬. মোবাইল অ্যাপ লঞ্চে
পিছিয়ে থাকা: বিক্রয় ডটকমই
প্রথম
মোবাইল
অ্যাপ
লঞ্চ
করে।
সে
সময়
এখানেই
ডটকমেরও
মোবাইল
অ্যাপ
(অ্যান্ড্রয়েড) লঞ্চ
হওয়ার
কথা
ছিল,
তারা
সেটা
লঞ্চ
করার
মাত্র
দু-একদিন
আগে
বিক্রয়
ডটকমের
অ্যাপ
লঞ্চ
করা
হয়।
সেখানে
দেখা
যায়,
তারা
তাদের
অ্যাপে
চ্যাটিং
ফিচার
নিয়ে
আসে।
তখন
এখানেই
ডটকমের
অ্যাপ
লঞ্চিং
স্থগিত
করে
তারা
তাদের
অ্যাপেও
চ্যাটিং
ফিচার
যুক্ত
করার
কাজ
শুরু
করে।
আর
এতে
আরো
পিছিয়ে
যায়
এখানেই
ডটকম।
অন্যদিকে
এগিয়ে
যায়
বিক্রয়
ডটকম।
চ্যাট
ফিচারের
কারণে
বিক্রয়
ডটকম
আরো
জনপ্রিয়তা
পায়।
কারণ
ফোন
নাম্বার
শেয়ার
করা
ছাড়াই
তখন
ক্রেতা-বিক্রেতা
নিজেদের
ভেতর
যোগাযোগ
করতে
পারতেন
এবং
তারা
ফোন
নাম্বার
হাইড
করার
অপশনও
দেয়,
কারণ
এতে
প্রচুর
অপ্রত্যাশিত
ফোনের
ঝামেলা
এড়ানো
যেত।
এখানেই
ডটকম
তাদের
অ্যান্ড্রয়েড
অ্যাপ
ও
ওয়েবসাইটের
চ্যাট
এবং
উন্নত
সার্চ
সুবিধাকে
ফিচার
করে
পিআর
করতে
শুরু
করে।
৭. ইউজার
ভলিউমকে লেভারেজ করতে ব্যর্থ হওয়া এবং
বিপিদের দৌরাত্ম্য: তত্কালীন
দেশে
প্রায়
দুই-তৃতীয়াংশ
মোবাইল
ইন্টারনেট
ইউজার
ছিল
জিপির।
এই
বিপুল
পরিমাণ
ইউজারকে
এখানেই
ডটকমের
ট্রাফিক/কাস্টমার
বানাতে
ব্যর্থ
হওয়া!
এছাড়া
তাদের
বিজনেস
প্রমোটারদের
বিরুদ্ধে
অনৈতিক
কর্মকাণ্ডের
অভিযোগ
ছিল।
যেমন
তারা
ভুয়া
অ্যাকাউন্ট
থেকে
ভুয়া
বিজ্ঞাপন
পোস্ট
করত,
একই
পণ্যের
বিজ্ঞাপন
একাধিকবার
দিত
বিভিন্ন
আঙ্গিক
থেকে
ছবি
তুলে।
৮. কারিগরি বিভ্রাট ও
গ্রাহক হয়রানি: রিব্র্যান্ডিংয়ের
পর
গ্রাহকরা
যাতে
তাদের
ই-মেইল
ঠিকানা
দিয়ে
রেজিস্ট্রেশন
করতে
পারে,
সেই
ফিচার
নিয়ে
আসা
হলো।
এতে
আগে
যারা
সিম
ব্যবহার
করে
মোবাইল
নাম্বার
দিয়ে
রেজিস্ট্রেশন
করেছিল,
তারা
আর
সাইটে
অ্যাকসেস
পাচ্ছিল
না।
ফলে
ই-মেইল
ঠিকানা
দিয়ে
নতুন
করে
আবার
অ্যাকাউন্ট
খুলতে
হয়েছিল
এবং
পুরনো
ইউজারদের
আগের
অ্যাকাউন্টের
সব
তথ্য
মুছে
গিয়েছিল।
এই
কারিগরি
বিভ্রাট
তাদের
গ্রাহকদের
বড়
ধরনের
হয়রানিতে
ফেলেছিল।
এছাড়া
রিব্র্যান্ডিংয়ের
আওতায়
সম্পূর্ণ
নতুন
আঙ্গিকে,
নতুন
ডিজাইনে
অথচ
বাগে
ভরা
এক
সাইট
লঞ্চ
করা
হয়।
সাইট
অপটিমাইজডও
করা
ছিল
না
ভালো
মতো,
যে
কারণে
অনেকই
স্লো
লোডিংয়ের
শিকার
হয়েছিলেন।
তবে
২০১৬
সালে
তারা
ওপেরা
মিনির
সঙ্গে
যুক্ত
হয়
গ্রাহকদের
উন্নততর
মোবাইল
ব্রাউজিং
অভিজ্ঞতা
দিতে।
যদিও
এর
অনেক
আগে
থেকেই
তাদের
সাইটের
মোবাইল
ভার্সনকে
তারা
ই-মেইলে
কমিউনিকেট
করত,
যার
ইউআরএল
ছিল
m.ekhanei.com.
৯. কাস্টমারদের সঙ্গে লিয়াজোঁ রাখতে ব্যর্থ হওয়া: তারা কাস্টমার
ফিডব্যাক
বা
কাস্টমার
কমপ্লেইন
গুরুত্বের
সঙ্গে
দেখত
বলে
মনে
হয়
না।
২০১৬-তে
আমি
নিজে
UI
& UX রিলেটেড ইস্যুতে
একাধিক
কমপ্লেইন
করেও
কার্যকর
কোনো
সুরাহা
পাইনি।
আমাকে
কোনোমতে
একটা
সমাধান
দেয়া
হয়েছিল,
যেটা
দিয়ে
ঠেকার
কাজ
চলে,
কিন্তু
স্থায়ী
কোনো
সমাধান
তারা
করেনি
পরবর্তী
এক
বছরেও।
অথচ
প্রায়
একই
কমপ্লেইনের
ক্ষেত্রে
আমি
বিক্রয়
ডটকমের
কাছ
থেকে
সঠিক
ও
দ্রুততর
সুরাহা
পেয়েছিলাম।
১০. অদক্ষ
ম্যানেজমেন্ট টিম:
মাদার
কোম্পানি
ডাকসাইটে
হলেও
সিস্টার
কোম্পানির
ম্যানেজমেন্ট
অতটা
দক্ষ
ছিল
না।
সেলবাজারকে
যে
টিম
দেখভাল
করত,
অধিগ্রহণের
পর
তাদেরকে
স্যাক
করে
নতুন
টিম
নেয়ার
ফলে
ম্যানেজমেন্ট
হুমকির
মুখে
পড়ে।
অধিকন্তু,
শাটডাউনের
আগে
এত
এতবার
কোম্পানিটি
বিভিন্ন
রকম
বদলের
ভেতর
দিয়ে
গেছে
যে
অভ্যন্তরীণ
কর্মীদের
পক্ষে
ফোকাস
ঠিকঠাকমতো
ধরে
রাখা
কঠিন
হয়ে
পড়েছিল।
১১. সেবাকে লাভজনক করতে
ব্যর্থ হওয়া:
বিক্রয়
ডটকম
আন্তর্জাতিক
প্রযুক্তি
প্রতিষ্ঠান
সুইডিশ
কোম্পানি
Saltside-এর
অধীনে
এ
দেশে
তাদের
সেবা
চালু
করে
(অর্থাৎ বলতে
গেলে
দেশের
সমগ্র
ক্লাসিফায়েড
মার্কেট
প্লেস
দখল
করে
নেয়
দুটি
ইউরোপীয়
কোম্পানি!)
এবং
বিক্রয়
ডটকম
তাদের
সেবার
মাধ্যমে
অর্থ
উপার্জন
করতে
শুরু
করে।
২০১৩-১৪
সালে
যাত্রা
শুরুর
মাত্র
এক
বছর
পরেই
তারা
তাদের
সেবাকে
মনিটাইজ
করা
শুরু
করে।
তাদের
ইউজারদের
জন্য
বাড়তি
কিছু
সুবিধাজনক
ফিচার
সাইটে
যুক্ত
করে,
যেটার
বিনিময়ে
ইউজারদের
বাড়তি
কিছু
টাকা
দিতে
হতো।
যেমন
মাত্র
৩০০-৫০০
টাকার
বিনিময়ে
বিক্রেতার
পোস্ট
সার্চ
রেজাল্টের
সবার
উপরের
দিকে
দেখাত,
এমনকি
পোস্ট
স্টিকি
করে
রাখারও
ব্যবস্থা
ছিল।
অথচ সেই
সময়েও
এখানেই
ডটকম
শক্ত
কোনো
বিজনেস
বা
মনিটাইজেশন
মডেল
দাঁড়
করাতে
পারেনি।
পরিশিষ্ট:
একটা
ই-কমার্সের
প্রথম
ও
প্রধান
উদ্দেশ্য
থাকে
বাজারে
একক
ও
অদ্বিতীয়
হওয়া।
এখানেই
ডটকম
যখনই
বুঝতে
পেরেছে
যে
বাজারে
নাম্বার
ওয়ান
হওয়া
আর
সম্ভব
নয়,
অর্থাৎ
বিক্রয়
ডটকমই
তাদের
চেয়ে
এগিয়ে
গেছে,
তত্ক্ষণাৎ
তারা
কোম্পানি
বন্ধ
করে
দিয়েছে।
ফ্রি
মডেলে
তারা
ভেবেছিল
ব্যবসা
করবে,
কিন্তু
এটাই
বাজার
গবেষকরা
মনে
করেন
যে
এখানেই
ডটকম
আদতে
তত্কালীন
কম্পিটিশনের
কাছে
হেরেই
রাতারাতি
বন্ধ
করে
দিতে
বাধ্য
হয়েছিল।
তবে
তারা
চাইলে
রাতারাতি
বন্ধ
না
করে
অন্তত
ওই
মাসের
শেষ
পর্যন্ত
অপারেশন
চালিয়ে
যেতে
পারত।
লোকমুখে
শোনা
যায়,
তারা
এটাকে
বিক্রি
করে
দিয়েছে
ভারতের
কোনো
এক
ক্লাসিফায়েড
ই-প্লাটফর্মের
কাছে,
যদিও
এর
পক্ষে
কোনো
তথ্যপ্রমাণ
পাওয়া
যায়নি।
তবে
এটা
নিশ্চিত
যে
বিক্রয়
ডটকম
শিক্ষা
নিয়েছে
এখানেই
ডটকমের
ভুলগুলো
থেকে,
যেটা
তাদের
পরবর্তী
সময়ে
টিকে
থাকতে
সহায়তা
করেছে।
প্রসঙ্গত
উল্লেখ্য,
সেই
সেলবাজার
ডটকম
বছর
দুয়েক
আগে
আবার
পুরোদমে
চালু
হয়েছে।
খোঁজ
নিয়ে
জানা
গেছে,
কামাল
কাদির
সাহেব
বা
সেলবাজারের
পুরনো
টিম
এর
সঙ্গে
জড়িত
নেই।
তবে
সেই
পুরনো
সাদামাটা
লোগো,
পুরনো
ব্রান্ডিং,
পুরনো
ওয়েব
ইন্টারফেস।
এখানেই
ডটকম
ডোমেইনটিকেও
গত
কিছুদিন
ধরে
একটিভ
দেখা
যাচ্ছে।
তার
মানে
সেটিও
খুব
দ্রুত
চালু
করার
চেষ্টা
চলছে।
সেলবাজার
ডটকমের
ইতিহাস
আমাকে
মুগ্ধ
ও
বিস্মিত
করেছে।
মালিক
যে-ই
হোক
না
কেন,
আমি
কায়মনোবাক্যে
চাই
এটি
আবারো
ঘুরে
দাঁড়াক।
এ দেশের ই-কমার্স বা ক্লাসিফায়েড পোর্টাল নিয়ে যদি ইতিহাস লেখা হয়, তবে হয়তো সেখানে সেলবাজার ডটকমের এই ইন্টারেস্টিং ও শিক্ষামূলক ইতিহাসটি লেখা থাকবে। এ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও তরুণ টেকি উদ্যোক্তারা এর ইতিহাস পাঠ্যবইয়ে পড়বেন। (শেষ)
প্রলয় হাসান: ব্র্যান্ড অ্যানালিস্ট ও কনটেন্ট মার্কেটার










