ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য চূড়ান্ত আঘাত বা ‘ফাইনাল ব্লো’ হামলা কেমন হতে পারে— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সে সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান। ফক্স নিউজের গতকালের এক প্রতিবেদনে এ সম্পর্কিত তথ্য ওঠে এসেছে।
হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘চূড়ান্ত হামলা’ বিষয়ে সম্ভাব্য বিকল্প উপস্থাপন করেন অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। যদি প্রেসিডেন্ট আবারো সামরিক অভিযান শুরু করেন সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ‘সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী হামলার ঢেউ’ চালানোর পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ইরানের ‘অবশিষ্ট সামরিক সম্পদ, নেতৃত্ব ও অবকাঠামো’।
ফক্স নিউজ আরো জানিয়েছে, উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন বৃদ্ধি নিয়েও ভাবছে পেন্টাগন। এর মধ্যে রয়েছে ‘ডার্ক ঈগল’ নামের নতুন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ২ হাজার মাইল বা ৩ হাজার ২১৮ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। ইরানের অবশিষ্ট ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করতে পারবে ডার্ক ঈগল।
আরো বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে বি-১বি ল্যান্সার বোমারু বিমানের উপস্থিতি বাড়ানো হচ্ছে। উড়োজাহাজুগলো ৫ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত হাইপারসনিক অস্ত্র ও ‘বড় আকারের গোলাবারুদ’ বহন করতে সক্ষম।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের ওপর পাল্টা আঘাত হানে তেহরান এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। এরপর ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
ট্রাম্প পরে একতরফাভাবে এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ান। তবে নতুন কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করেননি।









