অদৃশ্য এক ভাইরাস রাতারাতি পাল্টে দিয়েছে সারা বিশ্বের চেহারা। করোনা বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি, রাজনীতি, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক, সমাজনীতি কিংবা জীবনাচার সবকিছু পাল্টে দিচ্ছে। মানুষকে অনেকটা স্বেচ্ছায় গৃহববন্দি করে ফেলেছে। করোনা সারা পৃথিবীর আর্থ-সামাজিক সবক্ষেত্রে স্থবির করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে মানুষকেও অনেক কিছু উপলব্ধি করার সুযোগ করে দিচ্ছে।

করোনাকালীন সময়ে সর্বত্রই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা নির্দেশিত ও সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত নির্দিষ্ট তিন ফুট বা তদূর্ধ্ব দূরত্বে থেকে সেবা গ্রহণ-প্রদানের ধারণাটি রাস্তায়, দোকানে, ঔষধালয়ে, হাসপাতালে, গাড়িতে, অফিস আদালত, ব্যাংক সহ সবখানেই প্রযোজ্য হচ্ছে। প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় মানুষ ক্রমশ অভ্যস্থ হয়ে ওঠার প্রচেষ্টায় একাট্টা হচ্ছে জীবন-জীবিকার তাগিদে।

মোটকথা করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি দেশীয় অর্থনীতিও থমকে দাঁড়িয়েছে। নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে। অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি ব্যাংকিং খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিতে পড়েছে। এতে একদিকে ব্যাংকগুলোকে ঋণ বিতরণের চাপ থাকলেও আদায় হচ্ছে না। ফলে কমে গেছে ব্যাংকের আয়। এছাড়া, খেলাপি ঋণ, তারল্য সংকট, মুনাফা কমে যাওয়াসহ নানা ধরনের সংকটে পড়েছে দেশের ব্যাংকখাত।

একটি দেশের ব্যাংকিং খাত ভেঙে পড়লে অর্থনীতি সচল থাকার সুযোগ নেই। কোনো বড় ধরনের সংকটে দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের জন্য ব্যাংকিং খাতের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তাই সম্ভাব্য সঙ্কট থেকে ব্যাংকিং খাত উত্তরণের উপায় হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংক নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।

করোনায় দেশের অর্থনীতি বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অনেক কিছু শিক্ষাও দিয়েছে। করোনা শুরু হওয়ার পর থেকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কারণে ব্যাংকে সরাসরি লেনেদন কমে যায়। গ্রাহকরা নিরাপদ দূরত্ব থেকেই যাতে লেনদেন করতে পারে সে জন্য ব্যাংকগুলো ডিজিটাল ব্যাংকিং উন্নয়নে মরিয়া হয়ে উঠে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেনদেন বাড়ানোর ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়।

করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ ডিজিটাল লেনদেনে আকৃষ্ট হয়েছে। করোনার এই সময়ে বিভিন্ন ব্যাংক গ্রাহকের সুবিধার জন্য চালু করেছে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নানা সুবিধা। বিমাযুক্ত আমানত পণ্য চালু, সহজে অনলাইনে টাকা ট্রান্সফার, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, অনলাইনে কেনাকাটাসহ বিশেষ কিছু নতুন পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে দেশের কিছু ব্যাংকে।

কয়েকটি ব্যাংক বিভিন্ন দেশীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের পরিবেশকদের জন্য ঘরে বসে চলতি মূলধন ঋণের আবেদনের জন্য নতুন অ্যাপস চালু করেছে। এর ফলে পরিবেশকেরা ঋণের প্রয়োজন হলে অ্যাপসে আবেদন করতে পারেন এবং ঋণ অনুমোদন হলে টাকা হিসাবে চলে যায়।

অনলাইন কেনাকাটায় হোম ডেলিভারি নেটওয়ার্ক পেপারফ্লাইয়ে ডিজিটাল মূল্য পরিশোধ ব্যবস্থা ‘ক্যাশলেস পে’ সেবা শুরু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক। অনলাইন আদেশে ক্রেতাদের দোরগোড়ায় পণ্য পৌঁছানোর সময় নগদ অর্থের পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মূল্য পরিশোধ করা যাচ্ছে। মাস্টারকার্ডের সহায়তায় এই সেবা নিশ্চিত করছে পেপারফ্লাই। এ জন্য কোনো পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) মেশিনের প্রয়োজন হচ্ছে না। তাছাড়া, ব্যাংকটি চালু করেছে Bangla QR Payment। বাংলাদেশে ইবিএল-ই প্রথম ভিসার সাথে এই প্রজেক্টে যুক্ত হলো। নতুন এই সেবাটি চালু করার ফলে গ্রাহকরা এখন কোনোরকম স্পর্শ ছাড়াই বিভিন্ন মার্চেন্ট পয়েন্ট, যেমন- হোটেল, রেস্টুরেন্ট, গ্রোসারি, ফার্মেসি ইত্যাদিতে পেমেন্ট করতে পারবেন তাদের ইবিএল ভিসা কার্ড ইবিএল স্কাইব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে।  

বৈশ্বিক এ মহামারী পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশী-বিদেশী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো সিটি ব্যাংকও তাদের প্রোডাক্ট আর সার্ভিসে এনেছে নতুনত্ব আর যোগ করছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। মোবাইলের মাধ্যমেই তাৎক্ষণিক ঋণ পাওয়ার সুযোগ চালু হচ্ছে। মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের গ্রাহকদের ঋণ দেবে সিটি ব্যাংক। বিকাশে লেনদেন প্রতিবেদন ও ব্যবহার ধরন দেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ঠিক করবে গ্রাহক ঋণ পাওয়ার যোগ্য কিনা। ঋণ পাওয়ার যোগ্য হলে তাৎক্ষণিকভাবে সিটি ব্যাংক ওই গ্রাহককে ঋণ দেবে। এই ঋণ পেতে কোনো নথিপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। শুধু বিকাশ অ্যাপে ক্লিক করে ঋণ আবেদন করতে হবে। মুহূর্তেই ঋণের টাকা চলে যাবে বিকাশ হিসাবে। গ্রাহকের অবস্থান কোন জেলায় বা ঋণের বন্ধকী আছে কি না, এমন কোনো কিছুরই প্রয়োজন এতে পড়বে না। এভাবেই ডিজিটাল ঋণের যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ।

আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সহজ করতে দেশে প্রথমবারের মতো ব্লকচেইন লেনদেন সম্পন্ন করেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। সম্প্রতি লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) কনটুর ব্লকচেইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সফলভাবে ইস্যু করেছে ব্যাংকটি। উল্লেখ্য, ব্লকচেইন হলো একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি যার মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মাধ্যে লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব।

ঘরে বসে লেনদেনের সুযোগ দিতে দুটি উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ব্যাংক। এর মধ্যে দুটি সেবাই বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে নতুন। গত জুনে ব্যাংকটি ঘরে বসে অনলাইনে হিসাব খোলার সুবিধা চালু করে। অনলাইনে হিসাব খুললে ব্যাংকটি বাসায় পৌঁছে দিচ্ছে বিনা মূল্যে এটিএম কার্ড ও চেক বই।

ইসলামী ব্যাংকে বাংলাদেশে লিমিটেডের CellFin এপের মাধ্যমে ঘরে বসেই একাউন্ট খোলা যাচ্ছে। ইসলামী ব্যাংকের ATM Both ও IBBL iSmartIBBL iSmartএ যুক্ত হয়েছে নতুন সেবা বা সুবিধা। যা ব্যাংকের হিসাবধারীরা কোন কার্ড ছাড়াই উপভোগ করতে পারবেন। এ সেবার মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সেবা হল ব্যাংকের অ্যাপ দিয়ে বা কার্ডবিহীন লেনদেন। প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সেবার মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক বিশ্বের এক হাজার ব্যাংকের তালিকায় টানা ৯ বার দেশের একমাত্র ব্যাংক হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। এ অবস্থান ২০২০ সালেও ৩৯ ধাপ এগিয়েছে।  

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোও প্রযুক্তির উন্নয়নে পিছিয়ে নেই। সোনালী ব্যাংক ‘সোনালী ই-সেবা’ নামের নতুন অ্যাপস চালু করেছে। এর ফলে মুঠোফোন অ্যাপসের মাধ্যমে দুই মিনিটে ঘরে বসেই খোলা যাচ্ছে নতুন হিসাব। আর এই অ্যাপস থেকে টাকা স্থানান্তর, বিল পরিশোধ, সরকারি ভাতা ও ভর্তুকি গ্রহণসহ ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মিলছে। গ্রাহকদেরকে হিসাববিহীন সুবিধাভোগীকে ব্যাংকিং চ্যানেলে সেবা প্রদান করতে চালু করেছে  জনতা ব্যাংকের জেবি পিন ক্যাশ সিস্টেম।

এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক করোনাকালীন সময়ে গ্রাহকদেরকে ব্যাংকে না এসে কীভাবে সেবা দেয়া যায় তা উদ্ভাবনের চেষ্টা করছে।

করোনা ব্যাংকগুলোকে শেখাল কীভাবে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে প্রযুক্তির মাধ্যমে মিটিং, ট্রেনিং, ওয়ার্কসপ ইত্যাদি সম্পন্ন করা যায়। ভার্চুয়াল মিটিং আগেও হতো, কিন্তু সেটা ছিল সীমিত আকারে। করোনাকালীন সময়ে ব্যাংকগুলো তাদের বোর্ড মিটিং, এক্সিকিউটিভ মিটিং সহ বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সম্পন্ন করছে। করোনার আগে দেশে ভার্চুয়াল ট্রেনিংয়ের তেমন প্রচলন ছিলনা। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে কর্মীদের ট্রেনিং, ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে। বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন ব্যাংকে ভার্চুয়াল মিটিং সম্পন্ন হচ্ছে। ভার্চুয়াল মিটিংয়ের ফলে হল রুম ভাড়া, ইউটিলিটি ব্যবহার, আপ্যায়ন, যাতায়াত ইত্যাদি খরচের প্রয়োজন হয় না। ফলে ট্রেনিং আয়োজনে ব্যাংকগুলোর সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে। সেসাথে একসাথে অধিক সংখ্যক প্রশীক্ষণার্থীদের ট্রেনিংয়ের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে। করোনা বিশ্বব্যাপী ভার্চুয়াল মিটিং, ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ ইত্যাদিকে ব্যাপক জনপ্রিয় করে তুলেছে।

ব্যাংকের ইতিহাসে বেসরকারি ব্যাংকে সবচেয়ে বেশী কর্মী ছাঁটাই হয়েছে করোনাকালীন সময়ে। বিশ্বের অনেক বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করার তথ্য পাওয়া যায়। জানা যায় বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করেছ বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, সাউথ ইস্ট সহ বেশ কয়েকটে ব্যাংক। মাঝে মাঝে দেশের ব্যাংকগুলোতে কিছু কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা শোনা গেলেও এক সাথে এত অধিক সংখ্যক কর্মী কখনো ছাঁটাই হয়নি। করোনা থেকে শিক্ষা হচ্ছে এ ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য ব্যাংক কর্মীদের ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও পারদর্শী হতে হবে।

বাংলাদেশের ব্যাংকের ইতিহাসে কোন বেসরকারি ব্যাংকের বেতন ভাতা হ্রাস করার কথা কখনো শোনা যায়নি। ব্যাংকগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকগুলো তাদের কর্মীদের বেতন ভাতা বাড়িয়ে থাকে। কিন্তু বেতন কমে যেতে পারে তা কেউ কখনো ভাবতেও পারেনি। মহামারির এ দুর্যোগের সময়ে ব্যয় সংকোচনের জন্য বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক তাদের কর্মকর্তা ছাঁটাইয়ের পাশাপাশি বেতন ভাতাও হ্রাস করেছে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের বেতন ভাতা হ্রাসের মত পরিস্থিতি মেনে নেয়ার মানসিকতা থাকার ব্যাপারে করোনা ব্যাংকারদেরকে শিক্ষা দিয়ে গেল।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এবং ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে অনেক কর্মীরা বাসা থেকেই ভার্চুয়াল অফিস করেছেন। অন্যদিকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ই-ফাইলিং পদ্ধতিতে ফাইল ছাড় করেছেন এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে অধস্তনদেরকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। 

ব্যাংকে প্রযুক্তি ব্যপক বিস্তার লাভ করলেও মহামারী দীর্ঘায়ীত হলে তা কিভাবে করা যায় এবং ব্যাংকিং সেবা গ্রাহকের দোর গেড়ায় পৌঁছে দেয়া যায় তা নিয়ে প্রযুক্তি বিকাশে রীতিমত যুদ্ধ শুরু হয়েছে। গত কয়েক বছরের চেষ্টায় তথ্যপ্রযুক্তিতে ব্যাংকিং সেবায় যোগ হয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম, অনলাইন সিআইবি রিপোর্ট, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড,ভিসা কার্ডের মাধ্যমে ই-বাণিজ্য। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি খাতের সবগুলো ব্যাংকই এখন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে। এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা-যেমন রেমিট্যান্স বিতরণ, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, বেতন-ভাতা প্রদান, এটিএম ইত্যাদি সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।এত কিছুর পরও মহামারী ব্যাংকিং কার্যক্রমকে গতিহীন করে দেয় এবং ব্যাংকগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হয়।

করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ব্যাংকগুলো বর্তামানে অত্যাধুনিক অটোমেশন বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি উদ্ভাবনের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই করোনা মাহামারীর ফলে অর্থনীতেতে নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় সরকারি বেসরকারি ব্যাংকগুলো নিজেদের প্রযুক্তির বিকাশে ব্যাপকভাবে মনোনিবেশ করেছে। এর ফলে ভবিষ্যতে ব্যাংকগুলোর আর্থিক ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব বয়ে আনবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ব্যাংক কর্মকর্তা
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, এফটিপিডি
ইমেইলঃ ma_masum@yahoo.com