মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে
আজ শনিবার হাইভোল্টেজ ম্যাচে টস জিতে বোলিং বেছে নেয়া ইংল্যান্ডকে অগ্নিপরীক্ষায় ফেলল
দক্ষিণ আফ্রিকা। হাইনরিখ ক্লাসেনের ঝড়ো সেঞ্চুরি আর তিন ফিফটিতে ভর করে ৭ উইকেটে ৩৯৯
রান তুলে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। তিন ম্যাচের দুটিতেই হেরে বসা ইংলিশরা আজ ৪০০ করে জেতার
কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
অসুস্থতার কারণে এই ম্যাচ থেকে ছিটকে যান দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। তার জায়গায় প্রোটিয়া দলকে নেতৃত্ব দেন এইডেন মার্করাম। বাভুমার জায়গায় দলে এসেছেন রিজা হেনড্রিকস। তিনি ৭৫ বলে ৮৫ রানের দারুণ এক ইনিংস করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। কুইন্টন ডি কক দলীয় ৪ রানে রিস টপলির শিকার হওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে ফন ডার ডুসেনকে নিয়ে ১১৬ বলে ১২১ রান তোলেন হেনড্রিকস। ডুসেন ৬০ রান করে আউট হওয়ার পর মার্করামকে নিয়ে বোর্ডে ৩৪ বলে ৩৯ রান তুলে সাজঘরের পথ ধরেন হেনড্রিকস।
৪৪ বলে ৪২ রান করা মার্করাম
চতুর্থ উইকেট জুটিতে ক্লাসেনকে নিয়ে তোলেন ৫৮ বলে ৬৯। মার্করামকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন
টপলি। ‘কিলার মিলার’ খ্যাত ডেভিড মিলার এদিন মাত্র ৫ রান করে আউট হয়ে যান। এরপর মাত্র
৭৭ বলে ১৫১ রানের দানবীয় এক জুটিতে প্রোটিয়াদের সংগ্রহটা চারশর কাছাকাছি নিয়ে যান ক্লাসেন
ও মার্কো ইয়ানসেন। ৬১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ক্লাসেন। গত মাসে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার
বিপক্ষে ৮৩ বলে ১৭৪ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন তিনি। সেই ফর্মটা তিনি ধরে রেখেছেন
বিশ্বকাপেও। এটা তার চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি ও চলতি বিশ্বকাপে প্রথম।
৬৭ বলে ১২ চার ও ৪ ছক্কায়
১০৯ রান করে গাস অ্যাটকিনসনের শিকার হন ক্লাসেন। ইয়ানসেন ৪২ বলে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় ৭৫
রানে অপরাজিত থাকেন। ইংল্যান্ডের টপলি ৮৮ রানে তিনটি ও অ্যাটকিনসন ও আদিল রশিদ দুটি
করে উইকেট নেন।
চলতি বিশ্বকাপে এটি দ্বিতীয়
সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ৭ অক্টোবর দিল্লিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রোটিয়াদের করা ৪২৮ রানই
এখনো ত্রয়োদশ আসরের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
১৫ অক্টোবর দিল্লিতে বর্তমান
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেয় আফগানিস্তান। দুদিন পর ধর্মশালায় নেদারল্যান্ডসের
কাছে হেরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা, যারা আগের পাঁচ ওয়ানডেতে ছিল জয়রথে। মুম্বাইয়ে আজ এই
দুই হারা দলের লড়াই। দক্ষিণ আফ্রিকা তিন ম্যাচে দুটি ও ইংল্যান্ড তিন ম্যাচ একটিতে
জিতেছে।










