কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে আজ বিশ্বকাপ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ২২৯ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। ২৩০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১ ওভারে ২ রান তুলেছে টাইগাররা।

৬৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে বোর্ডে ২২৯ রান তুলতে সমর্থ হয় নেদারল্যান্ডস। এর নেপথ্যের কারিগর অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। ৮৯ বলে ৬৮ রান করে তিনিই দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন।

এখানে অবদান আছে বাংলাদেশেরও! ১৫.২ ওভারে (৬৩/৪) মুস্তাফিজুর রহমানের বলে স্লিপে ক্যাচ দেন এডওয়ার্ডস, যদিও তা হাত থেকে ফেলে দেন লিটন দাস। ওই ওভারের চতুর্থ বলে আবার উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন এডওয়ার্ডস। এবার তা তালুবন্দি করতে পারেননি উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম। এভাবে তিন বলের মধ্যে দুবার জীবন পেয়ে শেষ পর্যন্ত ফিফটি আদায় করে নেন এডওয়ার্ডস।  

এরপর  বাস ডি লিডি (১৭), সাইব্র্যান্ড এঙ্গেলব্র্যাখট (৩৫) ও লোগান ফন বিককে (২৩*) নিয়ে দলের সম্মানজনক সংগ্রহ নিশ্চিত করেন এডওয়ার্ডস।

ডাচদের মূল ক্ষতিটা করেন বাংলাদেশের পেসাররা। তাসকিন আহমেদ (২/৪৩) ও শরিফুল ইসলামের (২/৫১) পর মুস্তাফিজুর রহমান (২/৩৬) চাপে রাখেন তাদের। শেষ দিকে স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান দুই উইকেট নিয়ে অবদান রাখেন। আর সাকিব আল হাসান ৩৭ রানে নেন একটি উইকেট।

টস জিতে ব্যাটিং নেয় ডাচরা। যদিও প্রথম ওভারেই ওপেনার বিক্রমজিৎ সিংকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন আহমেদ। মিড-অফে সাকিব আল হাসানকে ক্যাচ দেন তিনি। পরের ওভারে শরিফুল ইসলামের বলে তানজিদ হাসানকে ক্যাচ দেন ম্যাক্স ও’ডাউড। এ সময় ডাচদের স্কোর রূপ নেয় ৪/২। এরপর দলকে টানেন ওয়েসলি বারেসি ও কলিন অ্যাকারম্যান। যদিও ১৪ ও ১৫তম ওভারে পরপর এই দুজনের বিদায় ঘটে। এরপর এডওয়ার্ডস বীরত্বে হতাশ হতে থাকেন সাকিবরা। যদিও শেষ দিকের সাফল্যে প্রতিপক্ষকে আড়াইশ রান করতে দেয়নি বাংলাদেশ।

পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই হেরে বিপদে থাকা বাংলাদেশকে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই। ডাচদেরও তাই। তারাও চারটিতে হেরে টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে।

চোট কাটিয়ে আজ বাংলাদেশের একাদশে ফিরেছেন পেস বোলার তাসকিন আহমেদ। তিনি জায়গা নিয়েছেন হাসান মাহমুদের।

ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত দুবার দেখা দুই দলের এবং সর্বশেষটি ২০১১ সালের বিশ্বকাপে। চট্টগ্রামে সেই ম্যাচে ৬ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। ২০১০ সালে গ্লাসগোয় প্রথম দেখায় ডাচরা জিতেছিল একই ব্যবধানে। এছাড়া টি২০তে চারবারের লড়াইয়ে ৩-১-এ এগিয়ে বাংলাদেশ।