শুরুটা ধীরগতির হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ। বিশেষ করে তানজিদ তামিম দারুণ কিছু বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন। পাওয়ার প্লের সুবিধা নিয়ে বৃত্তের উপর দিয়ে খেলেছেন। তাতে সফলও হয়েছেন এই তরুণ ওপেনার। আরেক প্রান্তে লিটনও খোলস ছেড়ে রান তোলায় মনোযোগ বাড়িয়েছেন। ফলে ১৪ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯০ রান তুলেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ৪১ বলে ফিফটি করে আউট হয়ে যান তামিম। তামিমের ফিরে গেলে বাংলাদেশে ছন্দপতন শুরু হয়। পরের ৪৭ রানেই নেই টপ অর্ডারের চার ব্যাটার।  রবীন্দ্র জাদেজা, সিরাজ আর কুলদীপ যাদবের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দারুণভাবে খেলা ফিরেছে ভারত।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ৩৩.৪ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৪রান। ক্রিজে মুশফিক ১৯ ও তাওহিদ হৃদয় ১২ রানে ব্যাট করছে।

এদিন ওপেনারদের দারুণ শুরুর পর তিনে ব্যাটিং করতে আসেন শান্ত। উইকেটে এসে দেখে-শুনে শুরু করেছিলেন। তবে ফিরলেন থিতু হওয়ার আগেই। ২০তম ওভারের শেষ বলে রবীন্দ্র জাদেজার সোজা বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৭ বলে ৮ রান। 

চার নম্বরে খেলতে নেমে সুবিধা করতে পারলেন না মেহেদি হাসান মিরাজ। ২৫তম ওভারের প্রথম বলটি লেগ স্টাম্পের ওপর খাটো লেন্থে করেছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ। ইন সুইং করে সেটা লেগ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় অযথা ব্যাট চালিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পরেছেন মিরাজ। ছেড়ে দিলে ওয়াইড হতো নিশ্চিত। সাজঘরে ফেরার আগে মিরাজের ব্যাট থেকে এসেছে ১৩ বলে ৩ রান।

শান্ত-মিরাজ দ্রুত ফিরলেও এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন লিটন। ফিফটি করে বড় রানের পথেই হাঁটছিলেন তিনি। তবে ২৮তম ওভারে এই ওপেনারকে থামালেন জাদেজা। এই অফ স্পিনারের গুড লেন্থের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অফে শুবমান গিলের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন লিটন। তার আগে ৮২ বলে ৬৬ রান করেছেন এই ওপেনার।