জিতলেই শেষ বত্রিশের টিকিট পাবেন হ্যারি কেনরা। টরন্টোয় বুধবার ভোর ৫টায় গ্রুপের আরেক ম্যাচে পানামার মুখোমুখি হবে ক্রোয়েশিয়া।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। অধিনায়ক হ্যারি কেন জোড়া গোল করে দলের বড় জয়ে ভূমিকা রাখেন। এছাড়া জুড বেলিংহ্যাম ও মার্কাস র্যাশফোর্ড একটি করে গোল পান। ক্রোয়েশিয়ার মতো বড় দলকে হারিয়ে নকআউটে ওঠার পথটা অনেকটাই মসৃণ করে রেখেছে টমাস টুখেলের দল। অন্যদিকে ঘানা প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে হারিয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাকে। তারাও এখন নকআউটের দাবিদার। এজন্য বড় দুই দলের অন্তত একটিকে হারাতে হবে তাদের।
১৯৬৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয় করা ইংল্যান্ড এরপর আর কখনই ফাইনালে উঠতে পারেনি। সেই থেকে শিরোপার জন্য তাদের ৬০ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা। ২০১৮ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠলেও হেরে যায় ক্রোয়েশিয়ার কাছে। কাতারের মাঠে ২০২২ আসরে তাদের বিদায় ঘটে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। জার্মান টেকটিশিয়ান টমাস টুখেলকে নিয়ে আরেকবার শিরোপা মিশনে নেমেছে ইউরোপের অন্যতম সেরা দলটি। তবে বড় পরীক্ষায় নামার আগে তাদের নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করতে হবে। শেষ বত্রিশের টিকিট পেতে ঘানা ও পানামা দুই দলের মধ্যে অন্তত একটি জয় চাই তাদের। আজ জিতলে নির্ভার হয়ে শেষ ম্যাচ খেলতে পারবে ‘থ্রি লায়ন্স’রা। নইলে পানামার বিপক্ষে পড়বে পরীক্ষার মুখে।
আফ্রিকান দল ঘানা এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলছে। বিশ্বকাপে তাদের সেরা সাফল্য কোয়ার্টার ফাইনাল। ২০১০ আসরে আসামোয়াহ জিয়ানদের হাত ধরে সেমিফাইনালে ওঠার কাছাকাছি পৌঁছেও হতাশ হতে হয় উরুগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে। জর্ডান আইয়ুর নেতৃত্বে এবার নতুন মিশনে নেমেছে ব্ল্যাক স্টারসরা।
এদিকে ২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপ ও ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়া এবার প্রথম ম্যাচেই হেরে ব্যাকফুটে চলে গেছে। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচটিই তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পানামার সঙ্গে ভুল করার কোনো সুযোগ নেই লুকা মডরিচদের। পানামার ঝুলিতেও কোনো পয়েন্ট নেই। ফলে তারাও জীবন বাজি রেখে খেলতে চাইবে টরন্টোর মাঠে।










