এশিয়া কাপে সুপার ফোরের লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গে পাত্তাই পেল না পাকিস্তান। ৩৫৭ রানের বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩২ ওভারে মাত্র ১২৮ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ফলে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পায় ভারত।

মঙ্গলবার রিজার্ভ ডে’তে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুদলের এশিয়া কাপের সুপার ফোরের লড়াই শুরুতেও বিলম্ব হয়। কোনো ওভার কাটা না যাওয়ায় ৫০ ওভারে ভারত পায় ২ উইকেটে ৩৫৬ রানের পুঁজি।

আগেরদিন ব্যাটিং থামাতে হলেও সেটি বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুলের ছন্দপতনের কারণ হয়নি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে তারা সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন থেকে যোগ করেছেন ২৩৩ রান। ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া কাপের ইতিহাসে এটি যেকোনো উইকেটে সর্বাধিক রানের জুটি। ২ উইকেটে ৩৫৬ রানের বড় সংগ্রহ পায় ভারত।

 ১০৬ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১১১ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়েছেন লোকেশ রাহুল।  কোহলি ছিলেন আরো  বিধ্বংসী। ৯৪ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ১২২ রানে। তিনি ৮৪ বলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেছেন।

৩৫৭ রানের পাহাড় ডিঙ্গাতে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় পাকিস্তান।

 

পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে আউট হন ওপেনার ইমাম উল হক। তিনি জসপ্রিত বুমরাহর বলে দলীয় ১৭ রানে স্লিপে ক্যাচ তুলে ফেরেন।

ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেননি অধিনায়ক বাবর আজম। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন পাক অধিনায়ক। ১০.৪ ওভারে ৪৩ রানে ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

দলীয় ৪৭ রানে শার্দুল ঠাকুরের বলে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

দলের চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে ইনিংসের শুরু থেকে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রাখা ফখর জামান ফেরেন দলীয় ৭৭ রানে। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৫০ বলে ২টি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৭ রান করেন ফখর।

দলীয় ২৩.৬ ওভারে কুলদীপ যাদবের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন আগা সালমান। তিনি ৩২ বলে দুই চারে ২৩ রানে ফেরেন। ১০ বলে ৬ রান করে দলীয় ১১০ রানে কুলদীপ যাদবের তৃতীয় শিকার হন শাদাব খান। কুলদীপের চতুর্থ শিকার হন ইফতেখার আহমেদ।

কুলদীপের পঞ্চম শিকার হয়ে অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন ফাহিম আশরাফ। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। চোটের কারণে নাসিম শাহ ও হারিস রউফ ব্যাট করতে নামেননি।