ইনিংসের শেষ বলে এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা শরীফুল ইসলামের। । বাংলাদেশ তাতে গেছে ২৫৬ রান পর্যন্ত। সেটিও শেষ ৫ ওভারে ৪৬ রান তোলার পর। তাতে বড় অবদান মাহমুদউল্লাহর ৪৬ রানের ইনিংসের। মাহমুদউল্লাহ যখন ক্রিজে এসেছিলেন, ১৭৯ রানে ৫ উইকেট নেই বাংলাদেশের। সেখান থেকে দেখেশুনে এগোলেন। শেষের দিকে তো ব্যাট হাতে ঝড়ই তুললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৬ বলে ৪৬ রানের ইনিংসে হাঁকালেন তিনটি করে চার-ছক্কা।
পুনেতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস এবং তানজিদ হাসান তামিম। প্রথম ১০ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই ৬৩ রান তুলে ফেলেন ছোট তামিম এবং লিটন দাস। ১০ম ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে টানা দুটি ছক্কা এবং একটি বাউন্ডারি মারেন তানজিদ তামিম। দারুণ শুরুর ইঙ্গিত দেয়ার পর
এদিন ওপেনারদের দারুণ শুরুর পর তিনে ব্যাটিং করতে আসেন শান্ত। উইকেটে এসে দেখে-শুনে শুরু করেছিলেন। তবে ফিরলেন থিতু হওয়ার আগেই। ২০তম ওভারের শেষ বলে রবীন্দ্র জাদেজার সোজা বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৭ বলে ৮ রান।
চার নম্বরে খেলতে নেমে সুবিধা করতে পারলেন না মেহেদি হাসান মিরাজ। ২৫তম ওভারের প্রথম বলটি লেগ স্টাম্পের ওপর খাটো লেন্থে করেছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ। ইন সুইং করে সেটা লেগ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় অযথা ব্যাট চালিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পরেছেন মিরাজ। ছেড়ে দিলে ওয়াইড হতো নিশ্চিত। সাজঘরে ফেরার আগে মিরাজের ব্যাট থেকে এসেছে ১৩ বলে ৩ রান।
শান্ত-মিরাজ দ্রুত ফিরলেও এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন লিটন। ফিফটি করে বড় রানের পথেই হাঁটছিলেন তিনি। তবে ২৮তম ওভারে এই ওপেনারকে থামালেন জাদেজা। এই অফ স্পিনারের গুড লেন্থের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অফে শুবমান গিলের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন লিটন। তার আগে ৮২ বলে ৬৬ রান করেছেন এই ওপেনার। একে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
সেখান থেকে তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে ৫৮ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম। যদিও এই জুটিতে মূল অবদান মুশফিকেরই। হৃদয় ভীষণ ধীরগতিতে ব্যাটিং করেছেন। মন্থর ব্যাটিং করে যখন সেট হলেন, তখনই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসলেন হৃদয়। ৩৫ বলে ১৬ রান করে শার্দুল ঠাকুরের শিকার হয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটার।
মুশফিকুর রহিম ফিরেছেন জাদেজার দুর্দান্ত ক্যাচ হয়ে। বুমরাহর বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাজপাখির মতো এক ক্যাচ নেন জাদেজা। ৪৬ বলে মুশফিকের ৩৮ রানের ইনিংসটিতে ছিল একটি করে চার-ছক্কার মার।
নাসুম আহমেদ ১৮ বলে ১৪ করে শেষের দিকে মাহমুদউল্লাহকে ভালো সঙ্গ দেন। আর ইনিংসের শেষ বলে ছক্কা হাঁকান শরিফুল ইসলাম (৩ বলে ৭)।ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ আর রবীন্দ্র জাদেজা নেন দুটি করে উইকেট।










