আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি করলেন তামজিদ হাসান তামিম। শার্দুল ঠাকুরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করলেন এ বাঁহাতি ওপেনার। তবে ৫০ রান করার পর বেশি টিকতে পারলেন না তামিম। কুলদীপ যাদবকে সুইপের চেষ্টা করেছিলেন। তবে ফ্ল্যাট বলটির লাইন মিস করে গেছেন পুরোপুরি। ৪৩ বলে ৫১ রান করে এলবিডব্লিউ তানজিদ, রিভিউও করেননি। সেটি করলে লাভও হতো না। ভারত পেয়েছে কাঙ্ক্ষিত ব্রেকথ্রু। ৯৩ রানে ভেঙেছে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭.৩ ওভার শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান। ক্রিজে শান্ত ৫ রান আর লিটর ব্যাট করছেন ৪৩ রানে।
শুরুটা ধীরগতির হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ। বিশেষ করে তানজিদ তামিম দারুণ কিছু বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন। পাওয়ার প্লের সুবিধা নিয়ে বৃত্তের উপর দিয়ে খেলেছেন। তাতে সফলও হয়েছেন এই তরুণ ওপেনার। আরেক প্রান্তে লিটনও খোলস ছেড়ে রান তুলায় মনযোগ বাড়িয়েছেন। ফলে প্রথম পাওয়ার প্লে শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ। এটি চলতি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ১০ ওভারে সর্বোচ্চ রান।
আগের তিন ম্যাচেই আগে বোলিং করেছে ভারত। প্রতিপক্ষ কোনো দলই ফিফটি করতে পারেনি প্রথম ১০ ওভারে। প্রতিবারই একটি করে উইকেট নিয়েছিল ভারত। ব্যতিক্রম ঘটল এবার।
এদিন নবম ওভারে শার্দুল ঠাকুর। ব্যাক অব আ লেংথ থেকে ওঠা বলে স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে ছক্কা। এ পিচে ব্যাটিংটা উপভোগ করছেন তানজিদ। ওই ছক্কায় ৫০ পেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ। ডাউন দ্য গ্রাউন্ডে এসে মিড অনের ওপর আরেকটি চার। এবারও ব্যাক অব আ লেংথেই ছিল। তবে পেসারদের বিপক্ষে নিয়মিতই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে আসছেন তানজিদ ও লিটন। সেটিই শেষ নয়। পরের শটটি হয়ত এখনকার মধ্যে সবচেয়ে সেরা। এবার ক্রিজেই ছিলেন। ফুললেংথ থেকে এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা। ওই ওভারে মোট ১৬ রান নিয়েছিল বাংলাদেশ।
শার্দুল ঠাকুর ছাড়াও এদিন যশপ্রীত বুমরার বলে হুক করে ইনিংসের প্রথম ছক্কাটি তাতে মেরেছেন তানজিদ। পরের ওভারে ডাউন দ্য গ্রাউন্ডে এসে মোহাম্মদ সিরাজকে কাভারের ওপর দিয়ে তুলে মেরেছেন আরেকটি চার।










