আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে
ভারত। রোহিত-কোহলির ঝড়ো ব্যাটে পাত্তাই পায়নি আফগানিস্তান। রোহিতের সেঞ্চুরির সঙ্গে বিরাটের অপরাজিত হাফ
সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছে ভারত। টানা দুই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে
উঠে এসেছে বিশ্বকাপের আয়োজকরা।
বুধবার (১১ অক্টোবর) দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে নিজেদের
দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হয় আফগানরা। ম্যাচে টস জিতে আগে
ব্যাটিংয়ে নামে আফগানরা।
ইনিংসের সপ্তম ওভারে ইব্রাহিম জাদরানকে ২১ রানে সাজঘরে ফেরান
বুমরাহ। দলীয় ৬৩ রানের মাথায় গুরবাজ ও
রহমত শাহকে হারিয়ে চাপে পড়ে আফগানরা। চতুর্থ
উইকেট জুটিতে ১২১ রান যোগ করেন অধিনায়ক হাশমাতুল্লাহ শাহিদি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দলীয় ১৮৪ রানে এ জুটি ভাঙেন হার্দিক পান্ডিয়া।
এর আগেই ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটিতে ৬২ রান করে সাজঘরে ফেরেন আজমাতুল্লাহ।
ভারতের দুর্দান্ত বোলিংয়ে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। এ সময় ম্যাচের হাল
ধরেন অধিনায়ক হাশমাতুল্লাহ শাহিদি। ক্যারিয়ারের
১৭তম ফিফটি তুলে ৮০ রানে তুলে কুলদ্বীপ যাদবের বলে আউট হন তিনি। ৪ রানের ব্যবধানে নাজিবুল্লাহ জাদরানকে ফেরান
বুমরাহ। মোহাম্মদ নবীকেও ১৯ রানে ফেরান
ভারতীয় পেসার। শেষের দিকে রশিদ-মুজিবের
জুটিতে ২৭২ রানের পুঁজি পায় আফগানিস্তান।
আফগানিস্তানে দেয়া ২৭২ রানের
টার্গেটের জবাবে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই তাণ্ডব বইয়ে দিতে থাকেন
দুই ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা এবং ইশান কিশান। রোহিত ঝড়ো গতিতে ব্যাট করলেও ইশান কিশান একটু
রয়েসয়ে ব্যাট করেন। দুজন মিলে ১৮.৪ ওভারে
উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ১৫৬ রান। রশিদ
খানের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলে দেন ইশান কিশান। ইবরাহিম জাদরানের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তার আগে করেন ৪৭ বলে ৪৭ রান।
এর আগেই ৬৩ বলে বিশ্বকাপে নিজের সপ্তম সেঞ্চুরি তুলে
নেন রোহিত। ৬টি সেঞ্চুরি নিয়ে এমনিতেই সবার শীর্ষে ছিলেন তিনি। এবার যোগ করলেন আরো
একটি।
এরপর বিরাট কোহলিকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ৪৯ রানের জুটি। ৮৪ বলে ১৬ বাউন্ডারি এবং ৫ ছক্কায় ১৩১ রান করে
আউট হয়ে যান রোহিত শর্মা। ৫৬ বলে ৫৫ রানে
অপরাজিত থাকেন বিরাট কোহলি। শ্রেয়াশ আয়ার
অপরাজিত থাকেন ২৩ বলে ২৩ রানে।
পুরো ১৫ ওভার হাতে রেখে ৮ উইকেটের ব্যবধানে জয় তুলে
নেয় ভারত।










