উড়ন্ত শুরুর পর টানা দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা বিপাকে পড়ে ভারত। লোকেশ রাহুল-বিরাট কোহলি মিলে সেই বিপর্যয় সামল দেয়ার চেষ্টা করেন। ধীরে ধীরে দলকে এগিয়ে নেন দুজন। তাদের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের প্রভাব পড়ে রান রেটেও। পাওয়ার প্লেতে ওভারপ্রতি ৮ করে রান তুলেছিল ভারত। ২৫ ওভার শেষে সেটা ৬-এর নিচে নেমে আসে। শেষ ১৫ ওভারে কোনো বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেনি স্বাগতিকরা।

 

এই প্রতিবেদন লেখার সময় ভারতের সংগ্রহ ১৭৩/৪। লোকেশ রাহুল ৫০ ও রবীন্দ্র জাদেজা ৯ রানে ব্যাট করছিলেন।

 

দুজনের জুটিতে আসে পঞ্চাশ রান। ফিফটি পূর্ণ করেন কোহলি। তবে বেশি দূর যেতে পারেননি তিনি। ৬৩ বলে ৫৪ রান করে প্যাভিলিয়েনের পথ ধরলেন তিনি। কামিন্সের শর্ট বল তার ব্যাটের কানা লেগে স্ট্যাম্পে আঘাত হাতে। এতে দুজনের ৬৭ রানের জুটি ভাঙে। কোহলির আউটে স্তব্ধ হয়ে যায় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ১ লাখেরও বেশি দর্শক। এরপর লোকেশের সঙ্গে যোগ দেন রবীন্দ্র জাদেজা।

 

আজ শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন রোহিত। শুভমান গিল দ্রুত ফিরলেও কোহলির সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ইনিংসের সপ্তম ওভারেই দলীয় সংগ্রহ পঞ্চাশ ছাড়ায় ভারতের। ব্রেকথ্রুর আশায় অষ্টম ওভারে প্রথমবারের স্পিন আক্রমণে আনেন প্যাট কামিন্স। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও পাত্তা দিচ্ছিলেন না রোহিত। ওভারের দ্বিতীয় বলেই লং অনের ওপর দিয়ে মেরেছেন ছক্কা। পরের বলে চার।

 

তবে মোমেন্টাম ধরে রাখতে পারলেন না আর। ম্যাক্সওয়েলের বলে ক্যাচ উঠেছিল কাভারে। পেছন দিকে ছুটে ট্রাভিস হেড নিয়েছেন দুর্দান্ত ক্যাচ। ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে যায় কিনা। রোহিত থামলেন ৩১ বলে ৪৭ রান করে। রোহিতের পর উইকেটে এসে আক্রমণাত্মক শুরুর চেষ্টা করেছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার। তার খেলা দ্বিতীয় বলে ম্যাক্সওয়েলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের খাতা খোলেন। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। পরের ওভারেই এই ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন প্যাট কামিন্স। এই পেসারের খানিকটা নিচু হওয়া বলে শট অফার করে বিপদে পড়েন আইয়ার, ব্যাটের বাইরের দিকের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপারের গ্লাভসে। তাতে ৩ বল খেলে ৪ রানেই থামতে হয় আইয়ারকে।