এশিয়া কাপে আজ রোববার
আফগানিস্তানের বিপক্ষে নকআউটে রূপ নেয়া ম্যাচে মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাজমুল হোসেন শান্তর
সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে বাঁচা-মরার ম্যাচে
৬৩ রানে দুই উইকেট পতনের ১৯৪ রানের বিশাল জুটি গড়ে দলকে সংহত অবস্থান গড়ে দেন মিরাজ
ও শান্ত। মিরাজ ১১২ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়েছেন, আর শান্ত রানআউটের শিকার করে সেঞ্চুরির
পরপর (১০৪ রান)। এ প্রতিবেদন লেখার সময় দলের সংগ্রহ ছিল ৪৬ ওভারে ২৯০/৩। মুশফিকুর রহিম
২৫ ও সাকিব আল হাসান ৩ রানে ব্যাট করছিলেন।
ইনিংসের শুরু থেকেই দারুণ
খেলছিলেন ওপেনার নাঈম শেখ। দশম ওভারের শেষ বলে আউট হয়ে যান তিনি। ৫ বাউন্ডারিতে ঝলমলে
ইনিংসটা সাজিয়েছেন বামহাতি এই ব্যাটার। শুরু থেকেই বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন তিনি। যদিও
মুজিব উর রহমানের অফস্ট্যাম্পের বাইরে পড়া বলটি তাকে পরাস্ত করে স্ট্যাম্প ভেঙে দেয়।
এর তিন বল পর আরেক উইকেটের
পতন ঘটে বাংলাদেশের। গুলবাদিন নায়েবের বলে স্লিপে হাশমতউল্লাহ শহিদিকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে
ফিরে যান তৌহিদ হৃদয়। দুই বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি তিনি।
এরপর ওপেনার মিরাজের সঙ্গে
যোগ দেন শান্ত। দারুন ফর্মে থাকা শান্ত গত ম্যাচে দলের দুঃসময়ে করেছেন ৮৯ রান। আজও
হাসল তার ব্যাট। করলেন সেঞ্চুরি। লোয়ার অর্ডার থেকে উঠিয়ে ওপেনিংয়ে নামানো মিরাজ সুযোগটা
দারুণভাবে কাজে লাগালেন। ৬৫ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। এরপর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১১২
বলে। শান্ত ফিফটি করেন ৫৭ বলে। এরপর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১০১ বলে। পরের ফিফটি পান ৪৪
বলে। দুজন ১১৭ বলে ১০০ রান যোগ করেন। পরের ৯৪ রান করেন ৭৩ বলে।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে
সেঞ্চুরি পান মিরাজ। গত বছর মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে করেছিলেন প্রথম সেঞ্চুরি। শান্ত
করেছেন দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি।
আজ বাংলাদেশ দলে তিনটি
পরিবর্তন এসেছে। ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম, অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান ও পেসার
মুস্তাফিজুর রহমানের জায়গায় দলে এসেছেন ব্যাটার শামীম হোসেন, ব্যাটার আফিফ হোসেন ও পেসার হাসান মাহমুদ।
পাল্লেকেলেতে প্রথম ম্যাচে
শ্রীলংকার কাছে ৫ উইকেটে হেরে বিপাকে পড়ে গেছে বাংলাদেশ। আজ তাই জয়ের বিকল্প নেই টাইগারদের
সামনে। জিতলে সুপার ফোরে ওঠার সম্ভাবনা টিকে থাকবে, হারলে বিদায়।










