টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে রেকর্ড গড়ল ভারত। আজ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৫ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। এটা আহমেদাবাদে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ সংগ্রহ আর টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপের তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এ রান তাড়া করতে গিয়ে ১৫৯ রানে শেষ কিউইরা। ভারত তৃতীয়বার জিতল বিশ্ব মুকুট, আর কিউইরা অপেক্ষা আরো বাড়ল। তারা দুইবার ফাইনাল খেললেও শিরোপার নাগাল পায়নি। ওয়ানডেতেও কোনো বিশ্বকাপ জেতেনি কিউইরা।

ফাইনালে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন ভারতে অভিষেক শর্মা ও সাঞ্জু স্যামসন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই ৯২ রান তুলে নেন তারা দুজন। অভিষেক ২১ বলে ৫২ রান করে আউট হওয়ায় ভেঙে যায় দুজনের ৪৩ বলে ৯৮ রানের জুটি।

এরপর ৪৮ বলে ১০৫ রানের আরেকটি বিস্ফোরক জুটি গড়ে নিউজিল্যান্ড বোলারদের হতাশ করেন স্যামসন আর ইশান কিশান। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে একটি সময় থামেন স্যামসন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯৭ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৯ রান করার পর পর আজ ফাইনালে ৪৬ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৮ ছক্কায় ৮৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন তিনি।

তাদের ব্যাটে ১৫ ওভারে ২০০ ছুঁয়ে ফেলে ভারত। স্বাগতিকরা ছুটছিল তিনশর দিকে। যদিও ১৬তম ওভারে জেমস নিশান তিন তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলেন। স্যামসন, কিশান (২৫ বলে ৫৪) ও সূর্যকুমার যাদবকে (০) সাজঘরে ফেরান তিনি।

দ্রুত উইকেট হারিয়ে পরের ৪ ওভার থেকে ভারত তুলতে পেরেছে ৩১ রান। যদিও নিশামের করা ২০তম ওভার থেকে ২৪ রান তুলে স্কোরটা ঠিকই আড়াইশ ছাড়িয়ে নেন শিবাম দুবে। তিনি ৮ বলে ২৬ রান করেন। যদিও প্রথম বলেই তিনি ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন, সীমানার কাছে সেই ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি স্যান্টনার। বল গড়িয়ে চলে যায় মাঠের বাইরে। এরপর ওই ওভারে আরো দুটি চার ও ছক্কা মেরেছেন তিনি।