টপ অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে দলের হাল ধরেছেন সাকিব-মুশফিক। এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মিলে ইতোমধ্যেই পঞ্চম উইকেটে শতরানের রানের জুটি গড়েছেন। তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে টাইগার শিবিরে। একই সঙ্গে ১৫০ মাইলফলকও স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ফাহিম আশরাফের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করলেন সাকিব আল হাসান, ৫৩ বলে। 

তবে হাফ সেঞ্চির তুলে আর বেশি দূর এগোতে পারলেন না সাকিব। ৩০তম ওভারের প্রথম বলে ফাহিম আশরাফকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সীমানার কাছে ফখর জামানের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাতে ভেঙেছে ১০০ রানের পঞ্চম উইকেট জুটি। সাজঘরে ফেরার আগে বাংলাদেশ অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছে ৫৭ বলে ৫৩ রান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৬০ রান। শামীম ৪ আর মুশফিক ৫৭ রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে লিটন-নাইমকে হারিয়ে বিপদে পড়েছে বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে ৫০ রানে আগে হারাতে হয়েছে ৪ উইকেট।মেকশিফট ওপেনার হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজ এবার আর সুবিধা করতে পারলেন না। প্রথম বল মোকাবেলা করেন মিরাজ এবং প্রথম বল মোকাবেলা করতে গিয়েই ক্যাচ তুলে দেন তিনি। নাসিম শাহ শর্ট লেন্থের বলটি  মিরাজ ফ্লিক করতে গিয়ে ব্যাটের ওপরের কানায় লেগে বল চলে যায় সোজা মিড অনে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডারের হাতে। এরপরে উইকেটে এসেই দারুণ এক বাউন্ডারিতে শুরু করেছিলেন  জ্বর কাটিয়ে খেলতে যাওয়া লিটন দাস। শাহিন আফ্রিদির বলে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। 

এশিয়া কাপে যাকে বাংলাদেশ অটো চয়েজ ওপেনার হিসেবে নিয়ে গেছে, সেই নাইম শেখও আরও একবার হতাশ করলেন। মিরাজ লিটনদের পথে হাঁটলেন তিনি। অস্টম ওভারের তৃতীয় বলটি খাটো লেন্থে করেছিলেন রউফ, সেখানে পুল করতে গিয়ে বল সোজা উপরে ওঠে যায়, তাতে বোলার নিজেই তালুবন্দি করেন। সাজঘরে ফেরার আগে ২৫ বলে ২০ রান এসেছে এই ওপেনারের ব্যাট থেকে। ৪৫ রানে তিন উইকেট হারিয়ে দল যখন ধুকছে তখন উইকেটে আসেন হৃদয়। এমন সময় তার কাছে প্রত্যাশিত ছিল লম্বা ইনিংস। তবে ২ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। রউফের বলে বোল্ড হয়ে উল্টো দলকে আরও বিপদে ফেলেছেন।