ধর্মশালার হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে
আজ মঙ্গলবার ত্রয়োদশ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নিত
ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শনী দেখাল নেদারল্যান্ডস। বৃষ্টিতে খেলা প্রায় দুই ঘন্টা
বিলম্বিত হওয়ায় ম্যাচ কমিয়ে ৪৩ ওভারের করা হয়। বৃষ্টিভেজা উইকেটে বিপর্যয় কাটিয়ে ৮
উইকেটে ২৪৫ রান তোলার কৃতিত্ব দেখায় ডাচরা।
অথচ প্রোটিয়া বোলিং তোপে ১৪০ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে বসে
নেদারল্যান্ডস। এরপরও তাদের বোর্ডে ২৪৫ রান! অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস দারুণ এই ব্যাটিংয়ে
নেতৃত্ব দেন। ৬৯ বলে ১০টি চার ও একটি ছক্কায় ৭৮ রান করেন তিনি। এছাড়া রোয়েলফ ফন ডার
মারউই ১৯ বলে ২৯ ও আরিয়ান দত্ত ৯ বলে ২৩ রান করেন। মারউইকে নিয়ে ৩৭ বলে ৬৪ ও আরিয়ানকে
নিয়ে ১৯ বলে ৪১ রান যোগ করেন তিনি। লুঙ্গি এনগিডি, মার্কো ইয়ানসেন ও কাগিসো রাবাদা
দুটি করে উইকেট নেন।
প্রোটিয়ারা পাঁচ ম্যাচের জয়রথে রয়েছে। এই পাঁচ ম্যাচেই
তারা প্রথমে ব্যাট করে প্রতিবার তিনশর বেশি রান তুলেছে, দুবার ছিল চারশর বেশি এবং প্রতিবারই
একশর বেশি রানে জিতেছে! এই পাঁচ জয়ের মধ্যে চারটিই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। কিন্তু আজ
তারা পরে ব্যাটিং নিল ম্যাচের আগের বৃষ্টি আর রাতের শিশিরের কথা
চলতি বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
শ্রীলংকা ও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে কর্তৃত্ব করে জয় পাওয়া প্রোটিয়ারা আজ নেমেছে হ্যাটট্রিক
জয়ের খোঁজে।
গত বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি২০ বিশ্বকাপে বাভুমার দলকে
১৩ রানে হারায় ইউরোপের দলটি। সেই হারে প্রোটিয়ারা টুর্নামেন্ট থেকেই বিদায় নেয়।
খুব বেশি চাপেও নেই দক্ষিণ আফ্রিকা। এ বছর শুরুর দিকে
নিজেদের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজে যথাক্রমে আট উইকেট ও ১৪৬ রানের বিশাল ব্যবধানে নেদারল্যান্ডসকে
হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
চলতি আসরে প্রোটিয়া ব্যাটিং ইউনিটই সম্ভবত সবচেয়ে শক্তিশালী।
২০২৩ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দশজন ব্যাটার ৪০০ কিংবা তার বেশি রান করেছেন ৫০ এর
বেশি গড়ে ও ১০০ স্ট্রাইক রেটে। এর মধ্যে চারজনই দক্ষিণ আফ্রিকার। এরা হলেন: তেম্বা
বাভুমা, এইডেন মার্করাম, ডেভিড মিলার ও হেইনরিখ ক্লাসেন। ৪৬ গড় ও ৯৭.৫২ স্ট্রাইক রেটে
৫৫২ রান করা কুইন্টন ডি ককও খুব পিছিয়ে নেই।
চলতি আসরে প্রথম দুই ম্যাচেই ডাচরা হেরে বসেছে। যদিও পাকিস্তান
ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে লড়াই করেছে তারা। উড়ন্ত প্রোটিয়াদের হারাতে এখন তারা শুধুই
গত বছরের টি২০ জয় থেকে প্রেরণা খুঁজতে পারে। কিংবা আফগানদের ইংলিশ বধও তাদের জন্য প্রেরণার
উৎস হতে পারে।










