ধর্মশালার হিমাচল প্রদেশ
ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার ত্রয়োদশ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের
বিপক্ষে জিতে বোলিং নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃষ্টিতে খেলা এক ঘন্টা বিলম্বিত হয়। বৃষ্টির
কারণেই টস জিতে বোলিং বেছে নেন প্রোটিয়া দলনায়ক তেম্বা বাভুমা। খেলা শুরুর কথা ছিল
৩টা ৩০ মিনিটে। যদিও টসের পর আবার বৃষ্টি শুরু হয়।
প্রোটিয়ারা পাঁচ ম্যাচের
জয়রথে রয়েছে। এই পাঁচ ম্যাচেই তারা প্রথমে ব্যাট করে প্রতিবার তিনশর বেশি রান তুলেছে,
দুবার ছিল চারশর বেশি এবং প্রতিবারই একশর বেশি রানে জিতেছে! এই পাঁচ জয়ের মধ্যে চারটিই
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। কিন্তু আজ তারা পরে ব্যাটিং নিল ম্যাচের আগের বৃষ্টি আর রাতের
শিশিরের কথা ভেবে। বাভুমা জানান, ছোট মাঠ বলে পরে বোলিং করে রানটা রক্ষা করা কঠিন হতে
পারে।
চলতি বিশ্বকাপে টানা দুই
ম্যাচে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শ্রীলংকা ও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে কর্তৃত্ব করে জয় পাওয়া
প্রোটিয়ারা আজ নামছে হ্যাটট্রিক জয়ের খোঁজে।
গত বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে
টি২০ বিশ্বকাপে বাভুমার দলকে ১৩ রানে হারায় ইউরোপের দলটি। সেই হারে প্রোটিয়ারা টুর্নামেন্ট
থেকেই বিদায় নেয়। তাই আজ ডাচদের দুর্বল প্রতিপক্ষ ভাববে না প্রোটিয়ারা।
একইসঙ্গে খুব বেশি চাপেও
নেই দক্ষিণ আফ্রিকা। এ বছর শুরুর দিকে নিজেদের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজে যথাক্রমে আট উইকেট
ও ১৪৬ রানের বিশাল ব্যবধানে নেদারল্যান্ডসকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
চলতি আসরে প্রোটিয়া ব্যাটিং
ইউনিটই সম্ভবত সবচেয়ে শক্তিশালী। ২০২৩ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দশজন ব্যাটার ৪০০
কিংবা তার বেশি রান করেছেন ৫০ এর বেশি গড়ে ও ১০০ স্ট্রাইক রেটে। এর মধ্যে চারজনই দক্ষিণ
আফ্রিকার। এরা হলেন: তেম্বা বাভুমা, এইডেন মার্করাম, ডেভিড মিলার ও হেইনরিখ ক্লাসেন।
৪৬ গড় ও ৯৭.৫২ স্ট্রাইক রেটে ৫৫২ রান করা কুইন্টন ডি ককও খুব পিছিয়ে নেই।
চলতি আসরে প্রথম দুই ম্যাচেই
ডাচরা হেরে বসেছে। যদিও পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে লড়াই করেছে তারা। উড়ন্ত প্রোটিয়াদের
হারাতে এখন তারা শুধুই গত বছরের টি২০ জয় থেকে প্রেরণা খুঁজতে পারে। কিংবা আফগানদের
ইংলিশ বধও তাদের জন্য প্রেরণার উৎস হতে পারে।
দক্ষিণ আফ্রিকা: কুইন্টন
ডি কক (উইকেটকিপার), তেম্বা বাভুমা (অধিানয়ক), রাসি ফন ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম,
হাইনরিখ ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, মার্কো ইয়ানসেন, কাগিসো রাবাদা, কেশব মহারাজ, জেরাল্ড
কোয়েৎজি, লুঙ্গি এনগিডি।
নেদারল্যান্ডস একাদশ: বিক্রমজিৎ
সিং, ম্যাক্স ও’ডাউড, কলিন অ্যাকারম্যান, বাস ডি লিডি, তেজা নিদামানুরু, স্কট এডওয়ার্ডস
(অধিনায়ক, উইকেটকিপার), সাইব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখট, ফন ডার মারউই, লোগান ফন বিক, আরিয়ান
দত্ত, পল ফন মিকিরেন।










