সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০তে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। অজিদের দেয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। এর মধ্য দিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারল টাইগাররা।

দিনের শুরুতে ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাসুমের বলে এক চার ও এক ছয়ে ১২ রান নিয়েছিলেন দুই অজি ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে খরুচে ছিলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইনও। প্রথম দুই ওভারেই অজিদের স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৭ রান।

তবে তৃতীয় ওভারে ওপেনিং জুটি ভাঙেন নাসুম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে আউট হন জশ ইংলিস। আউট হওয়ার আগে ৬ বলে ১১ রান করেছেন তিনি। এরপর ক্রিজে মার্শের সঙ্গী হন কুপার কনোলি। তবে কনোলিকে সেট হতে দেননি নাহিদ রানা। সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন কনোলি। মিচেল মার্শও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৯ বলে ২০ রানে তাকে ফেরান মুস্তাফিজ।

অস্ট্রেলিয়া সেই চাপ সামলে ওঠে ডেভিড-রেনশো জুটিতে। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন মিলে গড়েন ৯৭ রানের জুটি। এ জুটিতে দুজনই খেলেছেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানের ও রেনশো খেলেছেন ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস। দুই চার এবং চার ছয়ে ৪৫ রান করে ডেভিড সাকলাইনের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হলেও রেনশো শেষ পর্যন্ত খেলেছেন। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন জোয়েল ডেভিস, ষষ্ঠ উইকেটে এ জুটিতে স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৪ বলে ৪২ রান।

বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন নাসুম, আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন রানা, মুস্তাফিজ ও সাকলাইন।

জবাবে শুরুটা ভালোই ছিল টাইগারদের। তবে পঞ্চম ওভারে ১৫ বলে ৩০ রানে ফেরেন তানজিদ। ডানহাতি স্পিনার রেনশর বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

পাওয়ারপ্লের পরপরই সৌম্য সরকার আউট হলেও রানের চাকা সচল রেখেছিলেন সাইফ ও পারভেজ হাসান ইমন। দুজন মিলে ১৩ ওভারে ১৩০ পর্যন্ত নিয়ে যান দলকে। কিন্তু এরপরই খেলার মোড় ঘুরে যায়।

১৩তম ওভারে অ্যারন হার্ডিকে এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিচেল মার্শের হাতে তালুবন্দি হন ইমন। তবে বাংলাদেশ আসল ধাক্কাটা খেয়েছে পরের ওভারে। জোয়েল ডেভিসের ওয়াইড বল তাড়া করতে গিয়ে কভারে সেই মার্শের হাতেই ক্যাচ তুলে দিলেন সাইফ। ৩৩ বলে ৪২ রানে ক্রিজে থাকা সাইফই তখন দলের সবচেয়ে বড় ভরসা। এ আউটের পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ।