চোট কাটিয়ে ফিরেই মাত্র ৫৯ বলে সেঞ্চুরি করলেন ট্রাভিস হেড। এছাড়া ৬৫ বলে ৮১ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। এই দুজনের ঝড়ে ২৩ ওভারেই ২০০ রান তুলে নেয় অজিরা। এরপরও দলটির রান ৪০০ হয়নি। শেষ দিকে বোলিংয়ে নিয়ন্ত্রণ আনতে সমর্থ হয় নিউজিল্যান্ড। ৪৯.২ ওভারে তারা ৩৮৮ রানে অলআউট করে প্যাট কামিন্সের দলকে।

আজ ১৯তম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ অভিষেকেই সেঞ্চুরি করলেন হেড। অবশেষে ট্রাভিস হেড ঝড় থামিয়েছেন অকেশনাল স্পিনার গ্লেন ফিলিপস। আউট হওয়ার আগে ৬৭ বলে ১০ চার ও ৭ ছক্কায় ১০৯ রান করেন হেড। তিনি উদ্বোধনী জুটিতে ডেভিড ওয়ার্নারকে নিয়ে ১১৭ বলে ১৭৫ রান যোগ করেন। ওয়ার্নারের ফিরতি ক্যাচ নিয়ে এই জুটি ভাঙেন ফিলিপস। পরে হেডকে করেন বোল্ড।

অজি ঝড়ের মধ্যে অবিশ্বাস্য বোলিং করে চলা ফিলিপও এরপর শিকার করেন ১৭ বলে ১৮ রান করা স্টিভ স্মিথকে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করা হেডের ফিফটি চলতি বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম। গত ৭ অক্টোবর দিল্লিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২৫ বলে ফিফটি করেছিলেন শ্রীলংকার কুশল মেন্ডিস।

চলতি বিশ্বকাপে দুটি সেঞ্চুরি করা ওয়ার্নার আজ ফিফটি করেছেন ২৮ বলে। ৬৫ বলে ৫টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৮১ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরের পথ ধরেন ওয়ার্নার। তবে তার আগে লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে যান কিউই বোলিং লাইনআপ। এই দুই ওপেনার মিলে পাওয়ার প্লের ১০ ওভারেই তুলেছেন ১১৮ রান। এ সময় বাউন্ডারি মেরেছেন ২১টি। অথচ এই নিউজিল্যান্ড আগের ম্যাচেই ভারতের বিপক্ষে পুরো ইনিংসে বাউন্ডারি দিয়েছিল ৩৬টি।

উদ্বোধনী জুটিতে এতটাই ঝড় ওঠে যে প্রথম ৯ ওভারের মধ্যেই ফিফটি করেন ওয়ার্নার ও হেড!

প্রথম পাওয়ার প্লেতে অজিদের তোলা ১১৮ রান ওয়ানডেতে যৌথভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ। আর ওয়ানডে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০০৩ বিশ্বকাপে কানাডার বিপক্ষে প্রথম ১০ ওভারে ১১৯ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

অজিরা মাত্র ২৩ ওভারে ২০০ তুলে নিলেও পরে কিছু উইকেট হারালে রানের গতি শ্লথ হয়। শেষ ২৭ ওভার থেকে তারা ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রান তুলতে পেরেছে। ম্যাক্সওয়েল (২৪ বলে ৪১), জস ইংলিশ (২৮ বলে ৩৮) ও কামিন্সের (১৪ বলে ৩৭) ঝড়ে সংগ্রহটা চারশ পেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। যদিও  ৪৯তম ওভারে তিনটি উইকেট তুলে অজিদের চারশর আটে আটকান ট্রেন্ট বোল্ট। ফিলিপস ও বোল্ট উভয়ই তিনটি করে এবং মিচেল স্যান্টনার দুটি উইকেট নেন।