তিনবারের বিশ্বকাপজয়ী পেলেকে পেছনে ফেলে ব্রাজিলের জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন নেইমার জুনিয়র। গতকাল শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজ দেশের বেলেম শহরে বলিভিয়ার বিপক্ষে দুই গোল করেন তিনি। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের এ ম্যাচে ৫-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে ব্রাজিল। খবর ইএসপিএন।
পেলে ১৯৫৭ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে ব্রাজিলের
হয়ে ৭৭টি গোল করেছিলেন। আল হিলাল ফরোয়ার্ড এখন ১২৪টি আন্তর্জাতিক খেলায় করেছেন ৭৯টি
গোল।
অবশ্য ব্রাজিলের সকার কনফেডারেশনের হিসাবে, ১১৪ ম্যাচে ৯৫টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা পেলে। তবে ক্লাবের বিরুদ্ধে জাতীয় দলের প্রীতি ম্যাচে পেলের গোলগুলো ফিফা বিবেচনা করে না।
এদিকে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখনো অধরা রয়ে গেছে নেইমারের। ব্রাজিলের নারী ফরোয়ার্ড মার্তার ১৭১ ম্যাচে ১১৫ গোল করে দেশের সর্বকালের রেকর্ড রয়েছে।
গতকাল নেইমারের রেকর্ড-ব্রেকিং গোলটি
আসে ৬১ মিনিটে। পেলের মতোই তিনি বাতাসে ঘুষি ছুড়ে সাফল্য উদযাপন করেন। এর আগে ম্যাচের
১৭ মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন। ওই সময় বলটি প্রতিরোধ করেন গোলরক্ষক গুইলারমো ভিসকারা।
ব্রাজিলের হয়ে নেইমারের সবচেয়ে
সাম্প্রতিক ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হার। ওই
সময় জাতীয় দলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা নিয়ে কাতার ত্যাগ করেন। চলতি বছর সেলেকাওদের
প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলেননি।
সাবেক সান্তোস, বার্সেলোনা ও পিএসজি
তারকার ব্রাজিল অভিষেক হয় ২০১০ সালে। সেইবার যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে
গোল করেছিলেন।
নেইমার ২০১৩ সালে ব্রাজিলকে কনফেডারেশন
কাপের শিরোপা এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালে নিয়ে যেতে পারেননি। ২০১৮ ও
২০২২ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে। এর আগে ২০১৪ সালে সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে
৭-১ গোলে লজ্জাজনক পরাজয়ের শিকার হয়েছিল।
ইনজুরির কারণে ব্রাজিলের ২০১৯ সালের
কোপা আমেরিকা জয় থেকে বাদ পড়েন তিনি এবং আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২০২১ সালের ফাইনালে
হেরে গিয়েছিলেন।
৩১ বছর বয়সী নেইমার দুটি লা লিগা শিরোপা,
একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি, পাঁচটি লিগ ওয়ান শিরোপা ও একটি কোপা লিবার্তাদোরেসসহ
উজ্জ্বল ক্লাব ক্যারিয়ার উপভোগ করেছেন।










