বেসরকারি
উন্নয়ন সংস্থা লিডো ভাগ্যাহত-সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের রাস্তার ঝুঁতিপূর্ণ অবস্থা থেকে
উদ্ধার এবং নিরাপদ আশ্রয়ে ২০০০ সাল থেকে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই সংস্থাটির একদল খুদে
ক্রিকেটার আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ভারতের চেন্নাইয়ে শুরু হতে যাওয়া পথশিশু ক্রিকেট বিশ্বকাপ-২০২৩
এ অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে, যা লিডোসহ সমগ্র বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।
বাংলাদেশ
সরকার এবং গণমাধ্যমের অকুন্ঠ সমর্থন ও সহায়তা এসব শিশুর পাসপোর্ট প্রাপ্তিতে, ভিসা
আবেদন সম্পন্ন করতে এবং আনুষঙ্গিক সব জটিলতা কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বৈশ্বিক এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ১৬টি দেশের মতো বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত এসব শিশু
অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সবার সঙ্গে নিজেদের দেশের শিল্প সংস্কৃতিসহ আবেগ-অনুভূতি
ভাগাভাগি করতে।
গতকাল
ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাগর-রুনি হলে বাংলাদেশ টিমের আনুষ্ঠানিক পরিচিতি ও পথশিশু
ক্রিকেট বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে লিডো। উক্ত আয়োজনে
উপস্থিত ছিলেন পথশিশু ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দলের কোচ, অধিনায়ক, সহ-অধিনায়কসহ
দলের সদস্যরা।
লিডোর নির্বাহী
পরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘অসহায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য কিছু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। বাংলাদেশের
তাবত্ পথশিশুদের হয়ে বৈশ্বিক প্রতিনিধিত্ব করার যে অভিযানে আমরা অংশ নিতে চলেছি তা
সত্যিই অবিশ্বাস্যভাবে গর্বের। আমাদের এই আয়োজন বিশ্বব্যাপী পথশিশুদের অধিকার রক্ষায়
আওয়াজ তুলবে এবং তা পথশিশুদের পরিচয় এবং অংশগ্রহণ নিশ্চত করতে সহায়ক হবে বলে আমরা বিশ্বাস
করি।’
বাংলাদেশ
দলের স্পন্সর হিসেবে কাজ করেছে ফ্রেন্ডস অব স্ট্রিট চিল্ড্রেন বাংলাদেশ, কেএফসি ফুড ফ্র্যাঞ্চাইজি ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড, ইনার হুইল ক্লাব
ঢাকা নর্থ ওয়েস্ট, লন্ডন কলেজ অব্ লিগ্যাল স্টাডিজ, আইডিপি এডুকেশন এবং এএইচজেড এন্ড
এ্যসোসিয়েটস প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে
প্রেসনোট পড়ে শোনান লিডোর তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম।
উল্লেখ্য,
২০-৩০ সেপ্টেম্বরে ভারতের চেন্নাইয়ে বসছে পথশিশু ক্রিকেট বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর। বাংলাদেশসহ
১৫টি দেশের ২৪টি দল এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে। ভারত সরকারের সমর্থন এবং শ্রী দায়া ফাউন্ডেশনসহ
ভারতের বেশ কয়েকটি সংস্থার সহায়তায় যুক্তরাজ্য ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্ট্রিট
চাইল্ড ইউনাইটেডের নেতৃত্বে আয়োজিত হচ্ছে বিশ্বকাপের এবারের এবারের আসর। এবছর বিশ্বকাপের
মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ‘পরিচয়’ এবং ‘প্রবেশাধিকার’ অর্থ্যাৎ মৌলিক পরিষেবাগুলোতে পথশিশুদের
প্রাপ্যতা এবং তাদের অংশগ্রহণকে জোরালো করা।










