সামনে ২৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য। শুরুতেই ধাক্কা খেলো নিউজিল্যান্ড। স্যাম কারানের লেগ সাইডে বেরিয়ে যাওয়া বলে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হয়ে গোল্ডেন ডাকে ফিরেছেন উইল ইয়ং (১ বলে ০)। দ্বিতীয় ওভারে দলীয় ১০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারিয়েছে কিউইরা। তবে এরপরে ব্যাট করতে আসেন রাচিন রবিন্দ্র। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১১ ওভারে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১ উইকেট হারিয়ে ৯২। ৩ ছক্কা আর ৭ চারে ৩৬ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন রাচিন রবিন্দ্র। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন ডেভন কনওয়ে। তিনি করেন ৩৪ বলে ৪৫ রান।
এর আগে ১১৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল ইংলিশরা। যদিও জো রুট (৭৭) ও জস বাটলার (৪৩) হাল ধরার পর টেল-এন্ডের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৮২ রান তুলতে সমর্থ হয় বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।ইংলিশরা। অর্থাৎ জিততে হলে ২৮৩ করতে হবে কিউইদের। ম্যাট হেনরি তিনটি এবং মিচেল স্যান্টনার ও গ্লেন ফিলিপস দুটি করে উইকেট নেন।
এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম ল্যাথাম। আমন্ত্রিত হয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলার চেষ্টা করেন ইংলিশ ব্যাটাররা। ওপেনার জনি বেয়ারেস্ট ছক্কা মেরেই ইনিংসের সূচনা করেন।
তবে শুরু থেকেই ধুঁকতে দেখা যায় ডেভিড মালানকে। ২৪ বল খেলে তিনি করেন ১৪ রান। শেষ পর্যন্ত ৮ম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হলেন মালান।
থিতু হয়ে গিয়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো। ৩৫ বলে ৩৩ রান করে মিচেল স্যান্টনারের ঘূর্ণিতে থামতে হয়েছে তাকেও। তবে স্বভাবজাত মারকুটে ব্যাটিং থেকে বের হতে পারেননি হ্যারি ব্রক। রাচিন রাবিন্দ্রের যে ওভারে আউট হয়েছে, তার আগের তিন বলে দুটি বাউন্ডারি আর একটি ছক্কা হাঁকান এই ব্যাটার। নিউজিল্যান্ডের স্পিন আক্রমণে আত্মসমর্পন করেছেন মঈন আলিও। ব্যক্তিগত ১৭ বলে ১১ রানে গ্লেন ফিলিপসকে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন এই অলরাউন্ডার।
এ ম্যাচে নেই নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তিনি চোট থেকে সেরে উঠছেন। খেলবেন পরের ম্যাচে। ইংল্যান্ড দলে নেই ২০১৯ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সবচেয়ে বড় তারকা বেন স্টোকস।










