আসন্ন এশিয়া কাপ ক্রিকেটের
ফাইনালে খেলতে চায় বাংলাদেশ। আজ রোববার দুপুরে শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বো রওনা হওয়ার
আগে বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে এমন প্রত্যয়ের কথা জানান বাংলাদেশ দলের পেস বোলার তাসকিন
আহমেদ।
শনিবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ
সম্মেলনে হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসান দুজনই বলছিলেন, দলের
প্রথম লক্ষ্য গ্রুপ পর্ব উতরানো। তাসকিন অবশ্য সরাসরি ফাইনালে খেলার স্বপ্নের কথাই
জানিয়ে গেলেন।
এশিয়া কাপের ১৫ আসরে বাংলাদেশ
তিনবার ফাইনাল খেলেছে এবং তিনবারই রানার্সআপ হয়েছে। কখনো শিরোপা জেতা হয়নি। ২০১২ সালে
মিরপুরে পাকিস্তানের কাছে, ২০১৬ সালে একই মাঠে ভারতের কাছে ও ২০১৮ সালে দুবাইয়ে ভারতের
কাছে ফাইনালে হেরেছে টাইগাররা। শেষবার ভারতের কাছে ৩ উইকেটে হেরেছ বাংলাদেশ।
শিরোপা জয়ের লক্ষ্য না
থাকলেও এশিয়া কাপে আরেকবার ফাইনাল খেলতে চায় বাংলাদেশ। এ নিয়ে তাসকিন বলেন, ‘আমাদের
মূল লক্ষ্য এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলা। দলগত অর্জনই সবচেয়ে বড় অর্জন। যদি আমরা এশিয়া
কাপের ফাইনালে যেতে পারি, ব্যক্তিগতভাবে অনেক খুশি হব। দলগতভাবে যেন ভালো ক্রিকেট খেলতে
পারি। সবাই দয়া করবেন যে ভালো করতে পারি।’
শিরোপার সম্ভাবনা নিয়ে
তিনি বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ইচ্ছে তো অবশ্যই আছে। তবে, মূল জিনিসটা হলো ভালো ক্রিকেট
খেলা। যেহেতু সামনে বিশ্বকাপও আছে। সবাই সবার সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারলে চ্যাম্পিয়ন
হওয়াও সম্ভব। সবাই দোয়া করবেন আমরা যেন সেরা ক্রিকেট খেলতে পারি।’
এদিকে, জ্বরের কারণে আজ
শ্রীলংকায় যেতে পারেননি লিটন কুমার দাস। ডেঙ্গু পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে। বিসিবির প্রধান
চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘লিটনের সব পরীক্ষার ফল ভালো। আশা করছি
তেমন কিছু হয়নি। একটু ভালো বোধ করলেই রওনা দিয়ে দেবে।’
জানা গেছে, জ্বর কমলে
আগামীকাল সোমবার শ্রীলংকায় যেতে পারেন লিটন। সম্প্রতি সেখান থেকে লংকা প্রিমিয়ার লিগ
খেলে দেশে ফিরেছেন তিনি।
তরুন পেসার তানজিম হাসান
সাকিবও আজ রওনা হতে পারেননি। এবাদত হোসেনের চোটে দলে সুযোগ পান তিনি। তিনি আলাদা ফ্লাইটে
শ্রীলংকায় যাবেন।
এশিয়া কাপ শুরু হবে ৩০
আগস্ট। পরদিন পাল্লেকেলেতে স্বাগতিক শ্রীলংকার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ওই ম্যাচ খেলেই
সাকিবদের ছুটতে হবে লাহোরের পথে। ৩ সেপ্টেম্বর গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে গ্রুপের দ্বিতীয়
ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ,
শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান এবং ‘এ’ গ্রুপে ভারত, পাকিস্তান ও নেপাল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল উঠবে সুপার ফোরে। সেখান থেকে শীর্ষ দুই দল উঠবে ফাইনালে।
১৭ সেপ্টেম্বর কলম্বোয় ফাইনাল।
১৬তম এশিয়া কাপে মোট ম্যাচ ১৩টি।
এর মধ্যে পাকিস্তানে ৪টি ও শ্রীলংকায় ৯টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।










