টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ গড়ল আয়ারল্যান্ড। গতকাল কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ওমানের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৩৫ রানের সৌধ গড়ে টেস্ট খেলুড়ে দেশটি। এ রান তাড়া করতে নেমে ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায় ওমান। ৯৬ রানে জিতেছে আইরিশরা, যা চলতি আসরে তাদের প্রথম জয়।
২০০৭ সালের বিশ্বকাপে জোহানেসবার্গে কেনিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২৬০ রান তুলেছিল শ্রীলংকা, যা এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। গতকাল ২৩৫ রান করে দুইয়ে উঠে যায় আইরিশরা।
এতদিন শ্রীলংকার পরে ছিল ইংল্যান্ডের ২৩০ রান, দক্ষিণ আফ্রিকার ২২৯ রান, শ্রীলংকার ২২৫ রান, ভারতের ২১৮ রান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২১৮ রান, দক্ষিণ আফ্রিকার ২১৩ রান। গতকাল এসব সংগ্রহ টপকে দুইয়ে উঠে গেছে আয়ারল্যান্ড।
চলতি আসরে এ নিয়ে দুবার প্রতিপক্ষের নির্মম ব্যাটিংয়ের শিকার হলো ওমান। দুদিন আগে পাল্লেকেলেতে তাদের পিটিয়ে ২২৫ রান তুলেছিল শ্রীলংকা। ওই ম্যাচে ১০৫ রানে হেরেছিল মধ্যপ্রাচ্যের দলটি। এছাড়া প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে তারা হেরেছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
লরকান টাকার ৫১ বলে ১০ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ৯৪ রানের ইনিংস খেলে ওমানকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন। এছাড়া গ্যারেথ ডিলানি ৩০ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ৫৬, জর্জ ডকরেল ৯ বলে ৫ ছক্কায় ৩৫ রান করেন। টাকার ও ডিলানি ৫৬ বলে ১০১ এবং টাকার ও ডকরেল ১৯ বলে ৭০ রানের জুটি গড়েন। ডিলানি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মোট ১৩টি ছক্কা মেরে দেশের হয়ে রেকর্ড গড়েছেন। এর আগে সর্বোচ্চ ১১টি ছক্কা ছিল অ্যান্ডি বালবির্নির। গতকাল ওমানের শাকিল আহমেদ ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন।
ম্যাচসেরা হওয়া ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লরকান টাকার জয় শেষে বলেন, ‘আমাদের অন্যতম সেরা দিন। ঘুরে দাঁড়িয়ে ভালো কিছু ক্রিকেট খেলেছি আমরা। আমরা আগে তাদের সঙ্গে খেলেছি। তাদের সমীহ করেই খেলেছি আমরা। প্রথম ১০ ওভারে তারা ভালো বোলিং করলেও পরের ১০ ওভারে আমরা শক্তিশালীভাবে ফিরেছি। আমাদের জয়ের প্রয়োজন ছিল। তাই ব্যাটিং নিয়ে আমরা বোর্ডে ভালো রান তুলতে চেয়েছি। আমরা মূলত নেট রানরেট বাড়িয়ে নিতে চেয়েছি।’ মঙ্গলবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলবে আয়ারল্যান্ড।
এদিকে গতকাল বিকালে অল-ইউরোপিয়ান ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এটা ইংলিশদের দ্বিতীয় জয়। আগে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে গুটিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। অধিনায়ক রিচিং বেরিংটন ৩২ বলে ৪৯, মাইকেল জোনস ২০ বলে ৩৩, টম ব্রুস ১৮ বলে ২৪ ও অলিভার ডেভিডসন ১৫ বলে ২০ রান করেন। জবাব দিতে নেমে ১৩ রানের মধ্যে ফিল সল্ট ও জস বাটলারকে হারায় ইংল্যান্ড। টম ব্যান্টন ও জ্যাকব বেথেল ৪৫ বলে ৬৬ রান তুলে বিপর্যয় সামাল দেন। বেথেল ৩২ রান করে আউট হয়ে গেলেও দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ব্যান্টন (৪১ বলে ৬৩)। তিনি স্যাম কারানকে নিয়ে ৩৩ বলে ৪৫ ও উইল জ্যাকসকে নিয়ে ১৩ বলে ২৩ রানের কার্যকর জুটি গড়েন।










