পিঠের চোট থেকে সেরে না ওঠায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া দলে জায়গা পেলেন না প্যাট কামিন্স। তার জায়গায় ১৫ জনের দলে জায়গা করে নিয়েছেন বেন ডারসুইস। বাদ পড়েছেন ম্যাথিউ শর্ট, তার জায়গা নিয়েছেন ম্যাট রেনশ। জায়গা পাননি সাবেক অধিনায়ক স্টিভ স্মিথও। তবে কেউ চোটে পড়লে ডাক পড়তে পারে তার।
জস হ্যাজেলউড, টিম ডেভিড ও নাথান এলিসরা প্রত্যেকেই ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে গেছেন। অ্যাশেজের আগে হ্যামস্ট্রিং ও অ্যাচিলিসের চোটে পড়েন হ্যাজেলউড। সেই থেকে খেলা হয়নি এ পেস বোলারের। হ্যামস্ট্রিং চোটে বিগ ব্যাশের বেশির ভাগ সময় আর চলতি পাকিস্তান সফরের দলে নেই টিম ডেভিড। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের কারণে বিগ ব্যাশের ফাইনাল খেলা হয়নি এলিসের, তিনি নেই পাকিস্তান সফরেও।
পিঠের চোট থেকে সেরে উঠতে থাকা কামিন্সকে বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে রাখা হয়েছিল এই আশায় যে তিনি হয়তো শেষের দিকের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো খেলতে পারবেন। অ্যাশেজে অ্যাডিলেড টেস্টের পর আর খেলা হয়নি তার। মূল গত বছর জুলাইয়ের পর শুধু ওই অ্যাডিলেড টেস্টই খেলেছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই অ্যাডিলেড টেস্টের পর তাকে বিশ্রামে রাখা হয়। জানুয়ারিতে স্ক্যান করানো হলে সবকিছু ‘পজিটিভ’ ছিল। যদিও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বলছে, পুরো সুস্থ হয়ে উঠতে তার আরো সময় প্রয়োজন। ইএসপিএন-ক্রিকইনফো মনে করছে, আইপিএলের সময় তিনি পুরো ফিট হয়ে উঠতে পারেন।
বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া, যেখানে তারা খেলবে শ্রীলংকা, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমানের সঙ্গে। ১১ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মিশন শুরু করবে অজিরা।
বিশ্বকাপ শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। কলম্বোয় উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। ওইদিন কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ড, যারা বাংলাদেশের জায়গায় খেলার সুযোগ পেয়েছে। এছাড়া মুম্বাইয়ে স্বাগতিক ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।
অস্ট্রেলিয়ার চূড়ান্ত স্কোয়াড:
মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), টিম ডেভিড, নাথান এলিস, ট্রাভিস হেড, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, জাভিয়ের বার্টলেট, জস ইংলিস, কুপার কনোলি, বেন ডারসুইস, ম্যাট রেনশ, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যাডাম জাম্পা, ক্যামেরন গ্রিন, জস হ্যাজেলউড ও ম্যাট কুনেম্যান।










