লিটন-নাইমকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে ৫০ রানে আগে হারাতে হয়েছে ৪ উইকেট।মেকশিফট ওপেনার হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজ এবার আর সুবিধা করতে পারলেন না। প্রথম বল মোকাবেলা করেন মিরাজ এবং প্রথম বল মোকাবেলা করতে গিয়েই ক্যাচ তুলে দেন তিনি। নাসিম শাহ শর্ট লেন্থের বলটি মিরাজ ফ্লিক করতে গিয়ে ব্যাটের ওপরের কানায় লেগে বল চলে যায় সোজা মিড অনে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডারের হাতে। এরপরে উইকেটে এসেই দারুণ এক বাউন্ডারিতে শুরু করেছিলেন জ্বর কাটিয়ে খেলতে যাওয়া লিটন দাস। শাহিন আফ্রিদির বলে ক্যাচ তুলে দেন তিনি।
এশিয়া কাপে যাকে বাংলাদেশ অটো চয়েজ ওপেনার হিসেবে নিয়ে গেছে, সেই নাইম শেখও আরও একবার হতাশ করলেন। মিরাজ লিটনদের পথে হাঁটলেন তিনি। অস্টম ওভারের তৃতীয় বলটি খাটো লেন্থে করেছিলেন রউফ, সেখানে পুল করতে গিয়ে বল সোজা উপরে ওঠে যায়, তাতে বোলার নিজেই তালুবন্দি করেন। সাজঘরে ফেরার আগে ২৫ বলে ২০ রান এসেছে এই ওপেনারের ব্যাট থেকে। ৪৫ রানে তিন উইকেট হারিয়ে দল যখন ধুকছে তখন উইকেটে আসেন হৃদয়। এমন সময় তার কাছে প্রত্যাশিত ছিল লম্বা ইনিংস। তবে ২ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। রউফের বলে বোল্ড হয়ে উল্টো দলকে আরও বিপদে ফেলেছেন। তাতে দলীয় অর্ধশতকের আগেই টপ অর্ডারের চার ব্যাটারকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৫৩ রান। সাকিব আল হাসান ৮ আর মুশফিক ৩ রানে অপরাজিত আছেন।
এ ম্যাচে বাবর আজমের সঙ্গে টস করতে নেমে জয় পেলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। টস জিতেই প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেন সাকিব। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাদশে এক পরিবর্তন রয়েছে বাংলাদেশের। হ্যামস্ট্রিংয়ের ইনজুরির কারণে ফর্মের তুঙ্গে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে পড়ায় তার জায়গায় দলে ফিরেছেন লিটন দাস।
অন্যদিকে, একদিন আগেই একাদশ ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। স্বাগতিকদের একাদশেও আছে এক পরিবর্তন। বাদ পড়েছেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। এই স্পিন বোলিং অলরাউন্ডারের পরিবর্তে একদাশে সুযোগ পেয়েছেন ফাহিম আশরাফ।
বাংলাদেশ একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), শামীম হোসেন, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ।
পাকিস্তান একাদশ : বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ-অধিনায়ক), ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলী আগা, ইফতিখার আহমেদ, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), ফাহিম আশরাফ, নাসিম শাহ, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফ।










