ছোট পর্দা ও বড় পর্দায় নিয়মিত কাজ করছেন মানসী প্রকৃতি। ঈদুল ফিতরে ২০টি ঈদ নাটকে দেখা গেছে তাকে। সামনেই ঈদুল আজহা। একই নাটক নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এ অভিনেত্রী।
‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের অনুপ্রেরণায় তরুণ নির্মাতা তারিক মুহাম্মদ হাসান নির্মাণ করছেন টেলিছবি ‘কুবের মাঝি’। এতে কপিলা চরিত্রে অভিনয় করছেন মানসী প্রকৃতি। ভোলার বিভিন্ন লোকেশনে টেলিছবিটির প্রথম ধাপের তিনদিনের শুটিং শেষ হয়েছে। ঈদে টেলিছবিটি বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন এর নির্মাতা। কপিলা চরিত্র প্রসঙ্গে প্রকৃতি বলেন, ‘উপন্যাসটি আমার খুব পছন্দের। এ উপন্যাস পড়ার পর গল্পের প্রতি একটা টান ছিল। যখন জানতে পারি আমি কপিলা চরিত্রে অভিনয় করছি, আরো এক্সাইটেড ছিলাম। চরিত্রটি খুব চ্যালেঞ্জিং। ভয় ছিল পর্দায় নিজেকে ঠিকমতো উপস্থাপন করতে পারব কিনা। পদ্মা নদীর মাঝি সিনেমায় কপিলা চরিত্রে রূপাদির অভিনয় মনোযোগ দিয়ে দেখেছি। সবকিছু মিলিয়ে বেশ প্রস্তুতি নিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। নিজের সেরাটা দিয়ে চরিত্রটি করেছি।’
কপিলা হয়ে উঠতে বেশ কসরত করতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। চরিত্রটির চ্যালেঞ্জ নিয়ে মানসী প্রকৃতি বলেন, ‘আমি সাঁতার জানি না, তার পরও বড় একটি নদীতে নামতে হয়েছিল। ২ ঘণ্টারও বেশি সময় পানিতে ভিজে একটি সিন করতে হয়। এতে আমার জ্বর ও ঠাণ্ডা লেগে যায়। তবুও কাজে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিইনি। একটা দৃশ্যে নৌকা থেকে পানিতে লাফ দিতে হবে। দৃশ্যটা ছিল ডুবে যাওয়ার। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে আমি নৌকা থেকে লাফ দিয়ে ডুবে যাচ্ছি দেখে এক জেলে ছুটে আসে আমাকে বাঁচাতে। তিনি ভেবেছিলেন, সত্যি সত্যি আমি ডুবে যাচ্ছি। কাজটি করতে গিয়ে এ রকম অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রচণ্ড গরম-রোদ উপেক্ষা করে এ কাজ ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য আমরা সবাই পরিশ্রম করেছি। আশা করছি, কুবের মাঝি সবাই পছন্দ করবে। আমি কপিলা চরিত্রটি নিয়ে বেশ আশাবাদী।’
‘কুবের মাঝি’ যেন পদ্মার পাড়ের জেলে জীবনের সুখ-দুঃখের নিখুঁত রূপায়ণ। টেলিছবিটিতে মাঝি চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক শিপন মিত্র, মালা চরিত্রে চিত্রনায়িকা আঁচল, ললিতা চরিত্রে সঞ্জিতা দত্ত। এছাড়া আছেন টুটুল চৌধুরী, কাকা মাসুদসহ আরো অনেকে।










