এপ্রজন্মের দর্শকপ্রিয় অভিনেতা আরশ খান। অভিনয়ে সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন নিয়েই যিনি পা রেখেছিলেন এ অঙ্গনে। শুরুটা ছিল কঠিন সংগ্রাম আর অনিশ্চয়তায় ভরা। ধাপে ধাপে ছোট ছোট চরিত্রে কাজ করতে করতে নিজেকে তৈরি করেছেন তিনি। তবে শুরুতে সে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য যেন কিছুতেই ধরা দিচ্ছিল না। তবু হাল ছাড়েননি, ধৈর্য আর পরিশ্রমকে সঙ্গী করেই এগিয়ে গেছেন তিনি।
এক সময় সুযোগ আসে সকাল আহমেদ পরিচালিত নাটক ‘রাখাল বালিকা’য় অভিনয়ের। নাটকটির গল্প লিখেছিলেন ইসরাত আহমেদ। এ কাজই বদলে দেয় আরশের অভিনয় ভাগ্য। এর পর থেকে একের পর এক ভালো গল্পের নাটকে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
আরশ জানান, ক্যারিয়ারের শুরু থেকে যেসব নির্মাতার সঙ্গে কাজ করেছেন, আজও তারাই বারবার তাকে নিয়ে নাটক নির্মাণ করছেন। প্রযোজক ও পরিচালকরা যেমন তাকে রিপ্লেস করতে চাননি, তিনিও কখনো তাদের ছাড়তে চাননি। এ বিশ্বাস ও সম্পর্কই তার পথচলায় মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
সাম্প্রতি সকাল আহমেদ পরিচালিত ‘প্রথম হারালো মন’ নাটকটিও দর্শকের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এ নাটকে আরশের বিপরীতে ছিলেন অভিনেত্রী জিম। এছাড়া তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘না বলা কিছু কথা’, ‘অ্যান্টিক পিস’, ‘দোষটা কার’, ‘হৃদয়ে ফাগুন’, ‘তুই আমার হয়ে যা’, ‘যত্ন’, ‘পাখি গো নাম ধরে ডাকো’, ‘পাজর’, ‘তুমি আমার জান’, ‘যে প্রেম অন্তরে’, ‘তুমি ফুলের মতো’, ‘তুমি ফুল নাকি ভুল’, ‘ছেলে মানুষী’ ইত্যাদি। প্রযোজক-পরিচালকদের আগ্রহও বেড়েই চলেছে তাকে নিয়ে। কারণ দর্শকের মাঝে আরশ এখন এক নির্ভরতার নাম। নিজের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার বর্তমান অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট। একদিন অভিনেতা হব, অভিনয়ের জগতে কাজ করব, এ স্বপ্নই ছিল। সে স্বপ্ন পূরণে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে, অনেক পরিশ্রমের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। শুরুতে যখন সাফল্য ধরা দিচ্ছিল না, তখন হতাশ না হয়ে আরো দৃঢ় মনোভাব নিয়ে এগিয়ে গেছি। আজ আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, তার পেছনে যারা শুরু থেকে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। কারণ আমি কোনোদিন কোনো স্বার্থের কারণে কারো সঙ্গে সম্পর্ক করিনি। নিজের কাছে স্বচ্ছ থেকেছি সবসময়।










