জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা আইশা খান। অভিনয়, উপস্থাপনা ও মডেলিং—প্রায় সব ক্ষেত্রে সক্রিয় তিনি। সম্প্রতি তার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘শেকড়’ প্রদর্শিত হয়েছে টরন্টোর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব সাউথ এশিয়ায়। চলচ্চিত্রটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং প্রবাসী বাঙালিরা বিশেষভাবে মুগ্ধ হয়েছেন। আইশা নিজে উৎসবে যেতে পারেননি ভিসা জটিলতার কারণে, তবে নির্মাতা প্রসূন রহমান ভিডিওর মাধ্যমে তাকে অনুষ্ঠান দেখিয়েছেন। আইশা বলেন, ‘এ সিনেমার মাধ্যমে আমার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। প্রবাসী বাঙালিরা দেশের কথা মনে রেখেই উচ্ছ্বাসে হাততালি দিচ্ছেন, কেউ কেউ কাঁদছেন। দেশে প্রদর্শিত হলে দর্শকও অবশ্যই পছন্দ করবেন।’

আইশা বর্তমানে নতুন একটি নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন। নির্মাতা রিফাত মজুমদার রিংকুর একটি নাটকে তার জুটি হয়েছেন ইয়াশ রোহান। ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে তিন দিনব্যাপী এ শুটিং চলবে। তিনি জানান, আগে নাটকের শুটিং দুইদিনে শেষ হতো, এখন অন্তত তিনদিন শিডিউল দিতে হয়, কখনো চার-পাঁচদিনও লাগছে। আইশা বলেন, ‘শুটিংয়ের আগে পাণ্ডুলিপি হাতে আসে। নির্মাতা অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে আগে বৈঠক করে কাজের পরিকল্পনা আলোচনা করেন। আমি প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখছি এবং সহশিল্পীদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা নিচ্ছি।’

উপস্থাপনাতেও সক্রিয় আইশা ২০১৯ সালে শুরু করেন উপস্থাপনা। ম্যাজিক বাউলিয়ানার অডিশন রাউন্ডে উপস্থাপনার পর এবার পুরো রিয়েলিটি শোয়ে উপস্থাপন করবেন। শোটি প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে। আইশা বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এবং তাদের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়াই আমার মূল লক্ষ্য। একেকটা অঞ্চলের ভাষা ও সংস্কৃতি আলাদা। রংপুরের সঙ্গে চট্টগ্রাম মেলে না, কুষ্টিয়ার সঙ্গে ঢাকার মিল নেই। চার মাসের এ যাত্রা সবসময় মনে থাকবে।’

আইশা রিয়েলিটি শোতে অংশ নেয়া প্রতিযোগীদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা নিয়ে বলেন, ‘আগের সময়ের সঙ্গে এখনকার পরিস্থিতি ভিন্ন। প্রতিযোগিতা বেড়েছে, কঠোর অধ্যবসায় ছাড়া কেউ টিকে থাকতে পারবে না। অনেকেই হঠাৎ তারকাখ্যাতি পান, চর্চা ভুলে যান। আবার পরিবারের সমর্থন না থাকলে অনেকেই ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে পারেন না।’