ব্ল্যাক হক ডাউন, গ্ল্যাডিয়েটরখ্যাত রিডলি স্কটের নতুন ছবি হাউজ অব গুচি। সম্প্রতি ছবিটির প্রিমিয়ার হয়ে গেলে যুক্তরাজ্যে। আর যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাবে ২৪ নভেম্বর। বছরের অন্যতম আলোচিত ছবি হতে যাচ্ছে ইতালির বিখ্যাত ফ্যাশন হাউজ গুচির এক আলোচিত অধ্যায় নিয়ে। ১৯৯৫ সালে গুচির প্রধান মরিজিও গুচি খুন হয়েছিলেন তার স্ত্রী প্যাট্রিজিয়া রেগানির পরিকল্পনায়। রাতারাতি ইতালির ব্ল্যাক উইডো হয়ে ওঠেন প্যাট্রিজিয়া। অনেক বছর কারাগারে থেকে তিনি এখন মিলানে বসবাস করছেন। হাউজ অব গুচির তিনিই মুখ্য চরিত্র। তুমুল আলোচিত এ ঘটনা নিয়ে ২০০১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল সারা ফোর্ডেনের সিনেমা দ্য হাউজ অব গুচি: আ সেনসেশনাল স্টোরি অব মার্ডার, গ্ল্যামার অ্যান্ড গ্রিড। এ গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে রিডলি স্কটের হাউজ অব গুচির চিত্রনাট্য। ছবিতে প্যাট্রিজিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন লেডি গাগা। মরিজিও গুচির ভূমিকায় আছেন অ্যাডাম ড্রাইভার। ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন জারেড লেটো ও সালমা হায়েক।

লন্ডনে হাউজ অব গুচির প্রিমিয়ারের পর সমালোচকরা তাদের মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। সবকিছু ছাপিয়ে আলোচনা-প্রশংসার মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন লেডি গাগা। সমালোচক এরিক ডেভিস লেডি গাগা ও জারেড লেটোর প্রশংসা করেছেন। টুইটারে লিখেছেন, ছবিটি যতটা না সুন্দর তার চেয়ে বেশি সিরিয়াস। তারা দুজনেই অসাধারণ কাজ করেছেন। গল্পটাও রোমাঞ্চকর।

এন্টারটেইনমেন্ট উইকলির জোয়ে নলফি লিখেছেন, ছবিতে লেডি গাগার অন্তরিক, দুর্ধর্ষ অ্যাটিচিউড তাকে সিনেমার অভিনেত্রী থেকে নাটকীয় গল্পের শক্তিশালী অভিনেত্রীতে পরিণত করেছে।

উই লিভ এন্টারটেইনমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা স্কট মেনজেল ছবিটির সমালোচনা করেছেন। তার মনে হয়েছে, একটি ছবিতে দুটি কাহিনী এগিয়েছে। একই সঙ্গে তার মনে হয়েছে, আল পাচিনো ছাড়া অন্য কোনো অভিনয়শিল্পীই বিষয়টি ধরতে পারেননি। ছবিতে অভিনয়ের ক্ষেত্রে তিনি একমাত্র আল পাচিনোকেই পাস নম্বর দিতে চান।

লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের সমালোচক কেটি ওয়ালশ প্রশংসা করেছেন গাগার। তিনি লিখেছেন, ‘হাউজ অব গুচিতে লেডি গাগার পারফরম্যান্স ব্যক্তিত্ব, ক্যারিশমা আর প্রতিজ্ঞার দারুণ এক আলকেমি। যেভাবে তিনি সিনেমায় সবাইকে পেছন থেকে ধ্বংস করেছেন তা বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয়। যতই দেখেছি মনে হয়েছে প্যাট্রিজিয়া ছিলেন সত্যিকার এক খলনায়িকা।’

 

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস