বক্স অফিসে ভালো করেছে মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস। দর্শকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এলেও সিনেমার আয়ে ততটা প্রভাব পড়েনি। মুক্তির তিনদিনের মাথায় উত্তর আমেরিকায় সিনেমাটি ১৮ দশমিক ৫ কোটি ডলার আয় করেছিল। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের অন্যান্য সিনেমার তুলনায় এ রোজগার বেশ ভালো। এর আগে ব্ল্যাক উইডো ৮ কোটি ডলার আয় করে। শ্যাং চি অ্যান্ড দ্য লেজেন্ড অব দ্য টেন রিংস ও এটারনালসের আয় ছিল যথাক্রমে ৭ দশমিক ৫ ও ৭ দশমিক ১ কোটি ডলার।
ডক্টর স্ট্রেঞ্জের এবারের সিনেমাটি ছিল ২০২২ সালের সবচেয়ে বড় ওপেনিং। বছরের শুরুতে দ্য ব্যাটম্যান ১৩ দশমিক ৪ কোটি ডলারের ওপেনিং পেয়েছিল। তবে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের মধ্যে একটু পিছিয়ে থাকছে মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস। কেননা স্পাইডার-ম্যান নো ওয়ে হোম আয় করেছিল ২৬ কোটি ডলার।
তবে ডক্টর স্ট্রেঞ্জের ভাগ্য ভালো বলতে হবে। এ পর্যন্ত সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় ৫৫ দশমিক ৫ কোটি ডলার। অবশ্য স্পাইডার-ম্যানের মতো বিশ্বব্যাপী মুক্তি তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। বেশকিছু দেশে মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চীন, রাশিয়া ও ইউক্রেনে প্রদর্শিত হচ্ছে না সিনেমাটি। ডক্টর স্ট্রেঞ্জের ১০০ কোটি ডলার আয় করতে হলে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে দর্শকদের থিয়েটারে বারবার ফিরে আসার ওপর নির্ভর করতে হবে। কভিডের পর কেবল স্পাইডার-ম্যানই এ ধাপে পৌঁছতে পেরেছিল।
আমেরিকায় ডক্টর স্ট্রেঞ্জ প্রথম দিনেই আগের অনেক রেকর্ড ভেঙেছে। প্রথম শুক্রবার সিনেমাটি আয় করে ৯ কোটি ডলার। ২০১৬ সালে ডক্টর স্ট্রেঞ্জের প্রথম সিনেমার তিনদিনের আয় ছিল সাড়ে ৮ কোটি ডলার। সিনেমাটির মোট বৈশ্বিক আয় ছিল ৬৭ দশমিক ৭ কোটি ডলার। মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস আমেরিকার বাইরেও ভালো করছে। ভারতে
৮০ কোটি রুপির বেশি আয় করা সিনেমাটি আন্তর্জাতিক বাজারে আয় করেছে ২৯ কোটি ডলার। দ্বিতীয় সপ্তাহে আয় কিছুটা কমে গেলেও অন্য কোনো বড় রিলিজ না থাকায় ডক্টর স্ট্রেঞ্জ আয় করতে থাকবে। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন সিনেমাটি বিলিয়ন ডলার ক্লাবে ঢুকবে।
সূত্র: ভ্যারাইটি










