দীর্ঘ দুই দশকের বিরতির পর আবারো জমজমাটভাবে পর্দায় ফিরছে শিশু-কিশোরদের প্রিয় প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’। বাংলাদেশ টেলিভিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং দেশের শিশুদের সৃজনশীলতা, মেধা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের এক অনন্য মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়। এখান থেকেই উঠে আসে ভবিষ্যতের শিল্পী, সংগীতশিল্পী, আবৃত্তিকার, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেতারা।

সম্প্রতি ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বাছাই পর্ব। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিটি শাখা ও বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১০ জন করে প্রতিযোগী এবার অংশ নেবেন ‘সেরা দশ’ পর্বে। তবে একই নম্বর প্রাপ্ত একাধিক প্রতিযোগী থাকলে সবাইকেই অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে—যাতে কেউ বঞ্চিত না হয়।

‘সেরা দশ’ পর্বের অডিশন অনুষ্ঠিত হবে ২৪-২৯ অক্টোবর পর্যন্ত, বাংলাদেশ টেলিভিশন, ঢাকা কেন্দ্র, রামপুরায়। নির্বাচিত প্রতিযোগীদের মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে সময়, তারিখ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা। অংশগ্রহণকারীদের অবশ্যই অডিশনের দিন সঙ্গে রাখতে হবে ইয়েস কার্ড, যা পূর্ববর্তী রাউন্ডে উত্তীর্ণ হওয়ার প্রমাণ।

এ পর্বে যারা উত্তীর্ণ হবেন, তারা অংশ নেবেন গ্রুমিং সেশন ও ফাইনাল পর্বে, যেখানে প্রতিযোগীদের পারফরম্যান্স আরো নিখুঁতভাবে গড়ে তোলা হবে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে। চূড়ান্ত বাছাইয়ের ফলাফল প্রকাশ করা হবে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে।

উল্লেখ্য, এ প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই অনুষ্ঠিত হয় সারা দেশকে ১৯টি অঞ্চলে ভাগ করে। প্রতিটি অঞ্চলের বাছাই পর্বে অংশ নেয় শত শত প্রতিযোগী, যারা নিজেদের প্রতিভা দিয়ে বিচারকদের মুগ্ধ করেছে।

আগামী ২-৬ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে ‘নতুন কুঁড়ি’র চূড়ান্ত ফাইনাল প্রতিযোগিতা। দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এ আয়োজনে অংশ নেয়া প্রতিটি শিশু তাদের স্বপ্ন, পরিশ্রম ও প্রতিভার অনন্য পরিচয় দিতে প্রস্তুত।