তার নাম নবীন কুমার গৌড়। তবে নিতান্ত পরিবারের কিংবা ঘনিষ্ঠ কেউ না হলে এ নামে তাকে কেউ চিনবেন না। ভক্তদের কাছে তিনি পরিচিত যশ নামে। ২০০৭ সালে চলচ্চিত্র দুনিয়ায় অভিষেক হয় দক্ষিণী এ নায়কের। তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন কেজিএফ-চ্যাপ্টার ওয়ানে অভিনয় করে। সিনেমায় খনি শ্রমিক থেকে মাসীহা বনে যাওয়া রকি চরিত্রটিকে ঘিরে দর্শকের মাঝে তৈরি হয় তুমুল উন্মাদনা। এরপর উপহার দেন কেজিএফ-চ্যাপ্টার টু। দুটো সিনেমাই দর্শকের উন্মাদনা ও ব্যবসায়িক সাফল্যে ভারতে ইতিহাস তৈরি করেছে। 

তবে যারা কন্নড় সুপারস্টার যশের কাছ থেকে কেজিএফ থ্রি আশা করছেন, তাদের জন্য ভালো এবং খারাপ দুই খবরই আছে। খারাপ খবর হলো শিগগিরই কেজিএফ থ্রিতে দেখা যাবে না যশকে। এ অভিনেতার পরবর্তী সিনেমা কেজিএফ থ্রি নয়। তার ঘনিষ্ঠ এক সূত্রের বরাত দিয়ে বলিউড হাঙ্গামা জানিয়েছে, শন কনারি ও ডেনিয়েল ক্রেইগ যেমন জেমস বন্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তেমনটা চান না যশ। তাদের মতো কেজিএফ স্টার হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই যশের। কেজিএফ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে দুবার কাজ করার মাধ্যমে তিনি জীবনের চমৎকার পাঁচটি বছর কাটিয়েছেন। এখন তিনি এ দুনিয়া থেকে বের হতে চান। 

যশের ভক্তদের জন্য সুসংবাদটি হলো বর্তমানে এ তারকা যে সিনেমায় কাজ করছেন, সেখানে তাকে কেজিএফের মতোই বৈচিত্র্যময় ও জননন্দিত চরিত্রে দেখা যাবে। তবে লুক ও ব্যক্তিত্বের দিক থেকে এটি কেজিএফ থেকে পুরোপুরি ব্যতিক্রম হবে। 

কেজিএফ-চ্যাপ্টার ওয়ান ২০১৮ সালে কন্নড় ভাষায় মুক্তি পায়। পরবর্তী সময়ে এটি হিন্দিতে ডাব করা হয়। বক্স অফিসে এ সিনেমা ব্যাপক ঝড় তোলে। মূল সিনেমাটি ১৩৫ কোটি রুপি আয় করে। হিন্দি সংস্করণের আয় ৪৪ কোটি রুপি। আঞ্চলিক সিনেমার ক্ষেত্রে যশের কাজগুলো জোয়ার তৈরি করেছে। এ প্রসঙ্গে যশ বলেন, ‘যখন মানুষ বলে, আমি কন্নড় সিনেমাকে বিশ্ব মানচিত্রে তুলে ধরেছি, তখন আমার ভালো লাগে। যখন আমরা কেজিএফ বানিয়েছিলাম, আমরা সচেতনভাবে সর্বভারতীয় দর্শকের কথা মাথায় রেখে সিনেমাটির পরিকল্পনা করেছিলাম। এর ভাষা আঞ্চলিক, তবে এর উপস্থাপন আন্তর্জাতিক মানের। অথবা আমরা এমনটাই মনে করি।’

সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা।