গায়ক মাইনুল
আহসান নোবেলকে যারা মাদক সরবরাহ করতেন, তাদের নাম পাওয়ার তথ্য জানিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা
পুলিশ (ডিবি)। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিল্পীও রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযানে নেমেছে
গোয়েন্দা পুলিশ। আদালতের নির্দেশে হেফাজতে
নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর রোববার নিজ কার্যালয়ে এসব তথ্য জানান ডিবি প্রধান ও পুলিশের
অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ।
জিজ্ঞাসাবাদে
পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ডিবি প্রধান বলেন, নোবেলকে যারা মাদক সরবরাহ করেছে তাদের নাম
সে বলেছে। কিন্তু এগুলো বলতে চাচ্ছি না। তার মতো শিল্পী, তার অনেক এজেন্ট আছে, নিজেও
সংগ্রহ করেন মাদক। শিল্পী অনেক আছেন, তাদের ব্যাপারেও অভিযান চালান হবে। আইনগত ব্যবস্থা
নেব। মূলত সঙ্গদোষে মাদকাসক্ত হয়েছেন নোবেল। তবে এখন তা ছেড়ে দিতে চান। কার কার মাধ্যমে
মাদকাসক্ত হয়েছেন, এটাও তিনি বলেছেন। এই মাদকাসক্ত হওয়ার কারণেই তিনি কোনো প্রোগ্রাম
রাখতে পারেন না। আর প্রোগ্রামে গেলে মাতাল হয়ে যান। এটা তিনি স্বীকার করেছেন।
তবে নোবেল
এখন মাদক থেকে সরে আসতে চান। এ জন্য তিনি কয়েক মাস সময় চেয়েছেন জানিয়ে হারুন অর রশিদ
বলেন, পারিবারিক অনেক সমস্যা আছে। এসব কাজ করা তার ঠিক হয়নি বলে দোষ স্বীকার করে সুন্দরভাবে
পরিবারের সঙ্গে থাকার আকুতি জানিয়েছে নোবেল। দুই পরিবার বসে সমঝোতার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতে
যেন পরিবারে কোনো অশান্তি না হয়, পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সেটা
যেন রক্ষা করতে পারে, সে ব্যাপারে চেষ্টা করবে বলে আমাদের কথা দিয়েছেন।
২০১৯ সালে
ভারতের জি-বাংলা টিভির রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে অংশ নিয়ে তৃতীয় হয়ে আলোচনায় উঠে আসেন নোবেল। তবে জনপ্রিয়তার
সঙ্গে নানা কর্মকাণ্ডে বিতর্কও সঙ্গী হয় উঠতি এই গায়কের। এর মধ্যে তার স্ত্রীও তার
মাদকাসক্তির কথা প্রকাশ করেন। শরীয়তপুরের একটি অনুষ্ঠানে গান গাইতে অর্থ নিয়েও না যাওয়ায়
গত শুক্রবার ঢাকার মতিঝিল থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয় নোবেলের বিরুদ্ধে। সেই
মামলায় শনিবার নোবেলকে গ্রেফতার করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের মাধ্যমে একদিনের
হেফাজতে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ।










